📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩১ জানুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে সব জেলা পরিষদে বাধ্যতামূলক সৌরবিদ্যুৎ: সরকারের নতুন নির্দেশনা

৩১ জানুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে সব জেলা পরিষদে বাধ্যতামূলক সৌরবিদ্যুৎ: সরকারের নতুন নির্দেশনা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সরকার সব জেলা পরিষদের স্থাপনায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ বাধ্যতামূলক করেছে। ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও নেট মিটারিং পদ্ধতির মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলো রাজস্ব আয় বাড়াতে পারবে

সরকার দেশের সব জেলা পরিষদের স্থাপনায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করেছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করতে হবে। জেলা পরিষদ ভবন, অডিটোরিয়াম, ডাকবাংলো, হাট-বাজারসহ সব দাপ্তরিক স্থাপনায় এই ব্যবস্থা প্রয়োগ করা হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে সব জেলা পরিষদের স্থাপনায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ বাধ্যতামূলক করা হবে
  • 📌 ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখে স্থানীয় সরকার বিভাগের জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়
  • 📌 প্রতিটি স্থাপনায় ২ ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাকআপসহ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন বাধ্যতামূলক
  • 📌 ১০ টাকা ৫০ পয়সা প্রতি ইউনিট হারে নেট মিটারিং পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রাপ্য হবে
  • 📌 ২০ বছরের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি করতে হবে

📰 বিস্তারিত

স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখা থেকে গত ১৫ সেপ্টেম্বর জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়। বিদ্যুৎ বিভাগের ১ সেপ্টেম্বরের নির্দেশনার আলোকে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। জেলা পরিষদের প্রশাসক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দাপ্তরিক ভবন এবং জেলা পরিষদের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।

সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অথবা রাজস্ব তহবিলের অর্থ ব্যয় করা যাবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মাধ্যমে নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং পদ্ধতিতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে হবে। নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫ অনুযায়ী প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে প্রাপ্য হবে।

স্বয়ংসম্পূর্ণ জেলা পরিষদগুলোকে নিজস্ব রাজস্ব ও এডিপির অর্থায়নে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবে এর সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, আর্থিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় এমন জেলা পরিষদগুলো বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। সৌর প্যানেল স্থাপনকারী কোম্পানির সঙ্গে পরবর্তী ২০ বছরের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

"সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট স্থাপনার নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং পদ্ধতিতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশের সব জেলা পরিষদ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা পরিষদের প্রশাসক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ (জানুয়ারি ২০২৭), ১৫ (সেপ্টেম্বর), ২ (ঘণ্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ), ১০ টাকা ৫০ পয়সা (প্রতি ইউনিট), ২০ (বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖