📌 স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এলজিইডি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান সীমিত সম্পদে সর্বোচ্চ ফল অর্জনের জন্য দায়িত্বশীলতা ও কার্যকর বাস্তবায়নের। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন উপকরণের ব্যবহার ও সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির প্রসারের নির্দেশ দেন
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান সীমিত সম্পদে সর্বোচ্চ ফল অর্জনের জন্য এলজিইডি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা ও কার্যকর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সম্পদের কাস্টোডিয়ান হিসেবে দায়িত্বশীলতা অবলম্বন করতে হবে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি ভবনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ড. আবদুল মঈন খান বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সম্পদের রক্ষক। প্রতিটি প্রকল্পে দায়িত্বশীলতা ও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
- 📌 বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে এলজিইডি গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন ধারা শুরু করে। বর্তমান সরকারের পরিকল্পনার সুফল ২০-৩০ বছরে দেশবাসীরা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
- 📌 মীর শাহে আলম নির্দেশ দেন: ছোট সড়কে ইটের পরিবর্তে ইউনি ব্লক ও সিসি ব্লক ব্যবহার; ভারী যানবাহনের সড়কে আরসিসি বা কার্পেটিং ব্যবহার; নদীতীরে ‘বিন্যা ঘাস’ ক্ষয়রোধে।
- 📌 সৌরবিদ্যুৎ প্রসারের জন্য প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলিতে সোলার প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দেন। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের পরিকল্পনা করা হবে।
- 📌 সভায় উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনসহ বিভিন্ন জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালকরা।
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান সীমিত সম্পদে সর্বোচ্চ ফল অর্জনের জন্য এলজিইডি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “শুধু পরিকল্পনা নয়, বাস্তবায়নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজন ও সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় করে কম ব্যয়ে সর্বোচ্চ ফল অর্জন করতে হবে।” তিনি উল্লেখ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে এলজিইডি গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন ধারা শুরু করে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নেওয়া উন্নয়ন পরিকল্পনার সুফল আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরে বাংলাদেশের মানুষ পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সভায় বলেন, গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে ইটের ব্যবহার কমিয়ে ইউনি ব্লক ও সিসি ব্লকের ব্যবহার বাড়াতে হবে। তিনি ৬ থেকে ৯ ফুট প্রশস্ত ছোট সড়কে ইটের পরিবর্তে এসব উপকরণ ব্যবহারের পাশাপাশি ভারী যানবাহনের সড়কে আরসিসি বা কার্পেটিং এবং দেশীয় পাথর ব্যবহারে গুরুত্ব দেন। নদীতীরবর্তী ও বন্যাপ্রবণ সড়কে মাটি ক্ষয়রোধে ‘বিন্যা ঘাস’ ব্যবহারের নির্দেশনা দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও হাটবাজারসহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলিতে সৌর প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে বিদ্যুৎ ব্যয় কমানোর পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় বাড়ানো সম্ভব। নিজ নিজ দপ্তরে সোলার প্যানেল স্থাপনে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন তিনি।
"শুধু কাগজে-কলমে পরিকল্পনা গ্রহণ করলেই হবে না, এর বাস্তবায়নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সম্পদ সীমিত হওয়ায় প্রয়োজন ও সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় করে কম ব্যয়ে সর্বোচ্চ ফল অর্জন করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, আগারগাঁও (এলজিইডি ভবন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. আবদুল মঈন খান, মীর শাহে আলম, মো. বেলাল হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০-৩০ বছর, ৬-৯ ফুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!