📌 ব্রেন টিউমার আক্রান্ত অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি চিকিৎসা শেষে ৯ মাস পর আবার অভিনয়ে ফিরেছেন। তিনি বলেছেন, 'ডাক্তারের কথা শুনে পাগলের মতো কেঁদেছিলাম, কিন্তু অভিনয় আমার শান্তির জায়গা'
ব্রেন টিউমার আক্রান্ত অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের পর ৯ মাস পর আবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন। তিনি গত ডিসেম্বরে শুটিং সেটে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ব্রেন টিউমার আক্রান্ত হওয়ার খবর পান। চিকিৎসা ও সার্জারির পর তিনি আবার অভিনয়ে ফিরেছেন, যদিও ডাক্তারদের নিষেধ সত্ত্বেও।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তানিয়া বৃষ্টি ব্রেন টিউমার আক্রান্ত হওয়ার পর ৯ মাস পর আবার অভিনয়ে ফিরেছেন 'অংশীদার' নাটকের শুটিংয়ে।
- 📌 চেন্নাইয়ের এমজিএম হাসপাতালের অনকোলজিস্ট প্রথমে বলেছিলেন, 'আপনি আর চার-পাঁচ বছর বাঁচবেন' — এই কথা শুনে তিনি পাগলের মতো কেঁদেছিলেন।
- 📌 গ্লিওব্লাস্টোমা রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তিনি টানা চিকিৎসা, সার্জারি ও কেমোথেরাপি পেয়েছেন। এখনো সম্পূর্ণ সুস্থ নন, তাই নতুন শুটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না।
- 📌 ইকসান রনির 'অংশীদার' নাটকে তিনি বাবার মৃত্যুর পর দুই বোনের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে অভিনয় করেছেন।
- 📌 ডাক্তারদের নিষেধ সত্ত্বেও তিনি অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ বজায় রেখেছেন। তিনি বলেছেন, 'অভিনয় আমার শান্তির জায়গা'।
📰 বিস্তারিত
অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি গত ডিসেম্বরে শুটিং সেটে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরীক্ষা করে জানা যায়, তিনি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত। প্রথমে দেশেই চিকিৎসা শুরু করেন, পরে চেন্নাইয়ের এমজিএম হাসপাতালে যান। সেখানে দ্বিতীয় সার্জারি হয় এবং লাইফ সাপোর্টেও থাকতে হয় তাঁকে। চিকিৎসকরা বলেছিলেন, 'আপনি আর চার-পাঁচ বছর বাঁচবেন' — এই কথা শুনে তিনি পাগলের মতো কেঁদেছিলেন।
তিনি বলেছেন, 'এখনো আমার কেমোথেরাপি চলছে। ডিসেম্বরে শেষ হবে। এরপর আবার সব টেস্ট করাতে হবে। রিপোর্ট দেখে পরবর্তী চিকিৎসাপদ্ধতি ঠিক করবেন ডাক্তারেরা। তবে এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো আছি। সার্জারির পর ঘুমাতে কষ্ট হতো, দুর্বল লাগত, মাথা ঘোরা ও বমি হতো। রেডিওথেরাপির সেই কঠিন সময় শেষে ধীরে ধীরে এখন স্বাভাবিকতার দিকে যাচ্ছি।'
তিনি 'অংশীদার' নাটকে বাবার মৃত্যুর পর দুই বোনের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে অভিনয় করেছেন। এই নাটকে তিনি প্রতিবাদী বড় বোনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ডাক্তারদের নিষেধ সত্ত্বেও তিনি অভিনয়ের অনুমতি পান। তিনি বলেছেন, 'অভিনয় আমার শান্তির জায়গা। অনেক দিন কাজ করতে না পেরে আরও হতাশ হয়ে পড়ছিলাম। তাঁদের অনেক অনুরোধ করে শুটিংয়ের অনুমতি নিয়েছি।'
"ক্যামেরা আর শুটিং ইউনিট তো খুব স্বস্তির বিষয় আমার জন্য। ২০১৩ সালে যখন প্রথম কাজ শুরু করেছিলাম, এদিনও ঠিক সে রকম অনুভূতি হচ্ছিল। নির্মাতা থেকে শুরু করে ইউনিটের সবাই খুব আন্তরিক ছিলেন। সবাই আমার খেয়াল রাখছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চেন্নাই (ভারত), বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তানিয়া বৃষ্টি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!