📌 বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা করে নতুন করে নির্ধারণ করেছে। ব্যবসায়ীদের চাপে নতি স্বীকার করে কমিশন ভোক্তাদের স্বার্থ উপেক্ষা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা করে নতুন করে নির্ধারণ করেছে। এই সিদ্ধান্তে ভোক্তাদের স্বার্থ উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল নভেম্বর মাসের জন্য এই দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি। বাজারে আগে থেকেই ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হতো এই সিলিন্ডার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা করা হয়েছে, যা সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি
- 📌 এলপিজি সংরক্ষণ ও বোতলজাতকরণ খরচ প্রতি কেজিতে ৪০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে (১৬.৭৪ টাকা থেকে ২৩.৪৮ টাকা)
- 📌 পরিবেশকদের চার্জ ৭০ শতাংশ বেড়েছে (৪.১৭ টাকা থেকে ৭.৮ পয়সা), খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 ব্যবসায়ীদের দেশব্যাপী সরবরাহ বন্ধের হুমকি ও দাবির পরই এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
- 📌 সৌদি আরামকোর গড় কন্ট্রাক্ট প্রাইস প্রতি টন ৭৫৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা আগের চেয়ে বেশি
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা করে নতুন করে নির্ধারণ করেছে। এই সিদ্ধান্তে ভোক্তাদের স্বার্থ উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল নভেম্বর মাসের জন্য এই দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি। বাজারে আগে থেকেই ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হতো এই সিলিন্ডার।
গত মার্চ থেকে বাজারে ১২ কেজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছিল ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায়। তবে গত সেপ্টেম্বর থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ওই সময়ে ১২ কেজির সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। সরকারি নির্ধারিত দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ থেকে ১ হাজার ৮৩৭ টাকার মধ্যে। নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে মাত্র দুই মাসে সিলিন্ডারপ্রতি সরকারি দাম বেড়েছে ৪৭৫ টাকা, যা প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি।
ব্যবসায়ীদের দেশব্যাপী এলপিজি বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধের হুমকি, দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গণশুনানির আয়োজন এবং কমিশনসহ বিভিন্ন খাতে বাড়তি অর্থ আদায়ের দাবির পরই এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত এসেছে। নতুন মূল্যকাঠামোয় এলপিজি সরবরাহব্যবস্থার তিনটি ধাপেই চার্জ বাড়ানো হয়েছে। এলপিজি সংরক্ষণ ও বোতলজাতকরণ খরচ প্রতি কেজিতে ১৬ টাকা ৭৪ পয়সা থেকে ৪০ শতাংশ বাড়িয়ে ২৩ টাকা ৪৮ পয়সা করা হয়েছে। পরিবেশকদের চার্জ ৪ টাকা ১৭ পয়সা থেকে ৭ টাকা ৮ পয়সা, অর্থাৎ ৭০ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ ৩ টাকা ৩৭ পয়সা থেকে ৫ টাকা ৮৩ পয়সা করা হয়েছে, যা ৫৫ শতাংশ বেশি।
"ব্যবসায়ীদের চাপে নতি স্বীকার করে কমিশন ভোক্তাদের স্বার্থ উপেক্ষা করেছে। এতে নতুন করে ভোগান্তিতে পড়েছেন ভোক্তারা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (বিশ্বব্যাপী এলপিজি সরবরাহের প্রভাব)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যবসায়ীরা, ভোক্তারা, বিইআরসি কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার ৬০ টাকা (সিলিন্ডার দাম), ৩০ শতাংশ (মূল্যবৃদ্ধি), ১৭ লাখ টন (বাংলাদেশের এলপিজি চাহিদা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!