📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেন, গ্রীষ্ম মৌসুমের আগেই জাতীয় গ্রিডে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করা হবে। তিনি স্বনির্ভর বাংলাদেশের লক্ষ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণের পদক্ষেপের কথা বলেন এবং ২০৩০ ও ২০৪০ সালের লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করেন
গ্রীষ্ম মৌসুমের আগেই বাংলাদেশের জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার সক্রিয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘ইনশা আল্লাহ, সবকিছু পরিকল্পনামাফিক গ্রীষ্ম মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই এই লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হবে।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ** গ্রীষ্মের আগেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 📌 **১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা** বরাদ্দ করা হয়েছে সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণের জন্য
- 📌 **২০৩০ সালের মধ্যে ২০% এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০%** বিদ্যুৎ চাহিদা নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
- 📌 **নেট মিটারিং ব্যবস্থায়** অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট **১০ টাকা ৫০ পয়সা** দরে সরকার কিনবে
- 📌 **বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ ২০২৬** প্রণয়ন এবং কর-শুল্ক সুবিধা দেওয়া হয়েছে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে
📰 বিস্তারিত
স্বনির্ভর বাংলাদেশের লক্ষ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি আর শুধু সম্ভাবনাময় খাত নয়, বরং এক অনিবার্য বাস্তবতা।’ তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রতিটি মানুষের এই উদ্যোগে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের মতো উদ্যোক্তারা এই উদ্যোগের মূল চালিকাশক্তি।’
সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণের জন্য সরকারি উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে অর্থায়নের সহজতর ব্যবস্থা, কর ও শুল্ক সুবিধা, এবং আর্থিক প্রণোদনা। তিনি জানান, ‘সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, শিল্পকারখানা এবং বাসাবাড়ির অব্যবহৃত ছাদ ব্যবহার করার আহ্বান জানাচ্ছি।’ প্রধানমন্ত্রী নিজের বাসায় সৌর প্যানেল স্থাপনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘আমি নিজেও আমার বাসায় সোলার প্যানেল স্থাপন করেছি এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি।’
বিদ্যুৎ খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশটিকে সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করে ফেলা হয়েছিল। বৈশ্বিক যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে।’ তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে এবং চলতি অর্থবছরেও চাহিদা প্রায় একই পর্যায়ে রয়েছে। জ্বালানি তেল সংগ্রহ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
"স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার যেসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে চলছে, এরই ধারাবাহিকতায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যেই আজকের এই বাংলাদেশ সোলার এক্সপো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, রাজধানী ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ, ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা তহবিল, ২০% (২০৩০), ৩০% (২০৪০), ১০ টাকা ৫০ পয়সা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!