📌 'রামায়ণ: রাইজ অব অ্যা লিজেন্ড' চলচ্চিত্রের গান 'মঙ্গল রং'-এর সমালোচনার জবাবে অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রহমান বলেছেন, 'আইসক্রিম বিক্রি করো যদি সবাইকে খুশি করতে চাও'। তিনি বলেছেন, সুরের পেছনে নৃতাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা থাকতে পারে এবং শ্রোতাদের ধৈর্য ধরে কাজের পুরো চিত্র দেখতে হবে
‘রামায়ণ: রাইজ অব অ্যা লিজেন্ড’ চলচ্চিত্রের গান ‘মঙ্গল রং’ নিয়ে উঠা বিতর্কের জবাবে অস্কারজয়ী ভারতীয় সংগীত পরিচালক এ আর রহমান আজ সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আপনি যদি পৃথিবীর সবাইকে খুশি করতে চান, তবে সংগীত ছেড়ে আইসক্রিম বিক্রি করতে যান’। এ আর রহমানের এই উক্তি স্টিভ জবসের বিখ্যাত কথার স্মরণে বলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ‘রামায়ণ’ চলচ্চিত্রের ‘মঙ্গল রং’ গান নিয়ে সমালোচনার জবাবে এ আর রহমান বলেছেন, ‘আইসক্রিম বিক্রি করো যদি সবাইকে খুশি করতে চাও’
- 📌 গানটির সুরে ‘কাওয়ালি’ ধারার প্রভাব থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক উঠেছে
- 📌 এ আর রহমান বলেন, ‘আমি নিজেই আমার কাজের সবচেয়ে বড় সমালোচক’ এবং সুরের পেছনে মাসের পর মাস সময় লাগে
- 📌 চলচ্চিত্রে হ্যান্স জিমারের সঙ্গে যৌথ কাজের কারণে আন্তর্জাতিক দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হবে
- 📌 ‘রামায়ণ’ চলচ্চিত্রে প্রায় ১০টি চলচ্চিত্রের সমপরিমাণ কাজের চাপ ছিল
- 📌 চলচ্চিত্রের প্রথম পর্ব আগামী ৫ নভেম্বর মুক্তি পাবে
📰 বিস্তারিত
নীতিশ তিওয়ারি পরিচালিত ‘রামায়ণ’ চলচ্চিত্রের প্রথম পর্ব আগামী ৫ নভেম্বর দীপাবলি উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাবে। এই মহাকাব্যিক চলচ্চিত্রের গান ‘মঙ্গল রং’-এর সুর ও বাদ্যযন্ত্রের আয়োজনে ‘কাওয়ালি’ ধারার প্রভাব থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক শুরু হয়। অনেকেই ঐতিহ্যবাহী সনাতন সুরের আশা করেছিল। বিশেষ করে রাবণের তাণ্ডব দৃশ্যের সংগীতে ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।
এসব সমালোচনার জবাবে এ আর রহমান বলেছেন, ‘কোনো একটি সুর বা কাজকে খুব দ্রুত বিচার করা ঠিক নয়। আমি নিজেই আমার কাজের সবচেয়ে বড় সমালোচক। আমরা একদিনে কোনো সিদ্ধান্ত নিই না। একটি সুরের পেছনে মাসের পর মাস সময় দিতে হয়’। তিনি আচারের উদাহরণ টেনে বলেন, ‘কিছু সুর বা গানের ধরন আচারের মতো—যত পুরোনো হয়, তার স্বাদ তত খোলে। মানুষের বোঝা উচিত যে এই সুরের পেছনে একটি নৃতাত্ত্বিক চিন্তাভাবনাও থাকতে পারে’।
এ আর রহমান মনে করেন, অনেক সময় শ্রোতারা একটি কাজের পুরো চিত্র না দেখে কেবল একটি বিশেষ অংশ ধরে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘একটু ধৈর্য ধরলে তাঁরা বুঝতে পারবেন কেন নির্দিষ্ট সুর বা বাদ্যযন্ত্র বেছে নেওয়া হয়েছে’।
সাক্ষাৎকারে তিনি ‘রামায়ণ’-এর ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরে অস্কারজয়ী সুরকার হ্যান্স জিমারের সঙ্গে নিজের যৌথ কাজের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘এই চলচ্চিত্রে হ্যান্স জিমারের যুক্ত থাকা আন্তর্জাতিক দর্শকদের মধ্যে এক বিশাল কৌতূহল তৈরি করবে। এটি চলচ্চিত্রটিকে বিশ্বমঞ্চে নতুন একদল দর্শকের কাছে পৌঁছে দেবে’।
প্রকল্পটির সংগীত নির্মাণের বিশালতা বোঝাতে গিয়ে এ আর রহমান উল্লেখ করেন, ‘এই সিনেমাটিতে প্রায় ১০টি সিনেমার সমপরিমাণ কাজের চাপ ছিল। হলিউড ও ভারতীয় সংস্করণ মিলিয়ে মোট পাঁচটি ভিন্ন ভাষায় গান ও ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর তৈরি করা হয়েছে’।
"আমি নিজেই আমার কাজের সবচেয়ে বড় সমালোচক। এমন নয় যে আমি যা তৈরি করি তার সবই অন্ধভাবে পছন্দ করি। আমরা একদিনে কোনো সিদ্ধান্ত নিই না। একটি সুরের পেছনে মাসের পর মাস সময় দিতে হয়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত (বলিউড)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এ আর রহমান
- 📌 গান: ‘মঙ্গল রং’ (কবি কুমার বিশ্বাসের লেখা, অরিজিৎ সিং ও শ্রেয়া ঘোষালের কণ্ঠ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ নভেম্বর (মুক্তির তারিখ), ১০টি চলচ্চিত্রের সমপরিমাণ কাজের চাপ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!