📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ভিপির অবমাননাকর হুমকির পর দুঃখ প্রকাশ করে। তারা ভবিষ্যতে কোনো নেতা যদি সাংবাদিকদের উদ্দেশে অবমাননাকর বক্তব্য দেন, তাহলে তা ব্যক্তিগত দায় হবে বলে ঘোষণা দেয়। গত ২৭ জুলাই গ্রন্থাগার হামলা সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া হয়েছিল
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর হুমকির পর দুঃখ প্রকাশ করে একটি বিবৃতি জারি করেছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, ভবিষ্যতে রাকসুর কোনো নেতা যদি সাংবাদিকদের উদ্দেশে অবমাননাকর বক্তব্য দেন, তাহলে তা ব্যক্তিগত দায় হবে এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাকসু এর দায় নেবে না। বিবৃতিতে রাকসু বলেছে, সাংবাদিকদের সঙ্গে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা নিরসনের জন্য এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাকসু সাংবাদিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি জারি করেছে, যেখানে তারা বলেছে, ভুল-বোঝাবুঝির জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে এবং ভবিষ্যতে কোনো নেতা সাংবাদিকদের অবমাননাকর বক্তব্য দিলে তা ব্যক্তিগত দায় হবে।
- 📌 গত ২৭ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে তিন শিক্ষার্থীকে মারধর করার ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করে রাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার হুমকি দিয়েছিলেন।
- 📌 ভিপির বক্তব্যে সাংবাদিকদের উদ্দেশে অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার করে তিনি বলেছিলেন, ‘আপনারা ছাত্রলীগকে ডিফেন্স করে নিউজ করেছেন। আমরা সেগুলো জড়ো করে ব্যবস্থা নেব’।
- 📌 এই ঘটনার পর ক্যাম্পাসের তিনটি সাংবাদিক সংগঠন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (রাবিসাস), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি (রুরু) রাকসুর কার্যক্রম বয়কটের ঘোষণা দেয় এবং ভিপিকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়।
- 📌 রাকসু বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, সাংবাদিকেরা বিভিন্ন আন্দোলনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছেন এবং তাদের সঙ্গে যেকোনো যৌক্তিকতা ও ইনসাফের ব্যাপারে কাজ অব্যাহত থাকবে।
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর হুমকির পর দুঃখ প্রকাশ করে একটি বিবৃতি জারি করেছে। বিবৃতিতে রাকসু জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ঘটনাবলির মাধ্যমে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা নিরসনের জন্য তারা এগিয়ে আসবে। তারা বলেছে, সাংবাদিকদের সঙ্গে যে ভুল-বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে, তা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে অবদান রাখে না বরং সংকট তৈরি করে।
গত ২৭ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে তিন শিক্ষার্থীকে মারধর করার ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করে রাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আপনারা বলেছেন, আমরা হামলা করেছি। এটা কোন ধরনের কথা? তারা হামলা করেছে, আমরা প্রতিরোধ করেছি। আপনারা এই শব্দ বলতে এত কাঁপাকাঁপি করেন কেন?’
ভিপির আরও বলেন, ‘আপনারা এত মায়া কান্না দেখান কেন ছাত্রলীগের প্রতি? এত মায়া কান্না করা যাবে না। আপনারা সাংবাদিকেরা যেসব শব্দ ব্যবহার করেন, এগুলোর বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব। আপনারা কালকে ছাত্রলীগকে ডিফেন্স করে অনেকে নিউজ করেছেন। এই সাংবাদিক এখানেও অনেকে আছে। আমরা সেগুলো জড়ো করে করে এখানে ব্যবস্থা নেব’। এই বক্তব্যে দেশব্যাপী সমালোচনা তৈরি হয়।
এই ঘটনার পর ক্যাম্পাসের তিনটি সাংবাদিক সংগঠন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (রাবিসাস), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি (রুরু) রাকসুর কার্যক্রম বয়কটের ঘোষণা দেয় এবং ভিপিকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়।
"রাকসুর কেউ এর পর থেকে সাংবাদিকদের উদ্দেশে অবমাননাকর কোনো বক্তব্য দিলে, সে দায় একান্তই তার ব্যক্তিগত বলে গণ্য হবে এবং এর দায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাকসু নেবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, রাকসু নেতা, সাংবাদিক সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ জুলাই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!