📅 ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এসএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে রেকর্ড ভুল: ৫৬ হাজার পরীক্ষার্থীর নম্বর পরিবর্তিত, ৪ হাজার পাস করে ফেল থেকে

এসএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে রেকর্ড ভুল: ৫৬ হাজার পরীক্ষার্থীর নম্বর পরিবর্তিত, ৪ হাজার পাস করে ফেল থেকে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এসএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে রেকর্ড সংখ্যক ভুলের কারণে ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের নম্বর এবং ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের গ্রেড পরিবর্তিত হয়েছে। ৪ হাজার ৫৮৫ জন ফেল থেকে পাস করেছে এবং ৩ হাজার ৭৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। শিক্ষাবিদরা মূল্যায়নব্যবস্থার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে রেকর্ড সংখ্যক ভুলের কারণে হাজার হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তিত হয়েছে। পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের পর ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের নম্বর এবং ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের গ্রেড পরিবর্তিত হয়েছে। এছাড়া ৪ হাজার ৫৮৫ জন ফেল থেকে পাস করেছে এবং ৩ হাজার ৭৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। শিক্ষাবিদরা মূল্যায়নব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের পর ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের নম্বর পরিবর্তিত হয়েছে
  • 📌 ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের গ্রেড পরিবর্তিত হয়েছে
  • 📌 ৪ হাজার ৫৮৫ জন ফেল থেকে পাস করেছে
  • 📌 ৩ হাজার ৭৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে
  • 📌 ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে
  • 📌 শিক্ষকরা টানা ১১ দিন অমানুষিক পরিশ্রম করেছেন

📰 বিস্তারিত

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৮ লাখ ২৯ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিলেন। পুনর্মূল্যায়নের পর ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৮টি স্ক্রিপ্টের মূল্যায়ন করা হয়। পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের পর ফল পরিবর্তনের সংখ্যা আগের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। এ বিষয়ে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়ন একসাথে করা হয়েছে বলে ফল পরিবর্তনের সংখ্যা বেশি হয়েছে।

অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, “পুনর্মূল্যায়নে এত বেশি পরিবর্তন হওয়া উচিত নয়। ব্যক্তিবিশেষে মূল্যায়নে কিছু পার্থক্য হতে পারে। এবার পুনর্মূল্যায়নের কাজ করতে শিক্ষকেরা টানা ১১ দিন কাজ করেছেন বলেই কাজটি শেষ করা সম্ভব হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, প্রথম দফায় মূল্যায়নের সময় যেসব উত্তরপত্রে ‘অনুচিত’ নম্বর পাওয়া গেছে, সেই পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছিল। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম অ্যানালিস্ট মনজুরুল কবীর জানান, পুনর্মূল্যায়নের পর ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের গ্রেড পরিবর্তিত হয়েছে এবং ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের নম্বর পরিবর্তিত হয়েছে। ফেল থেকে পাস করেছে ৪ হাজার ৫৮৫ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৭৯ জন।

"পুনর্মূল্যায়নে এত বেশি পরিবর্তন হওয়া উচিত নয়। ব্যক্তিবিশেষে মূল্যায়নে কিছু পার্থক্য হতে পারে। এবার পুনর্মূল্যায়নের কাজ করতে শিক্ষকেরা টানা ১১ দিন কাজ করেছেন বলেই কাজটি শেষ করা সম্ভব হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ১১টি শিক্ষা বোর্ড
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান, মনজুরুল কবীর, পরীক্ষার্থীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৬ হাজার ২৫৯ জন (নম্বর পরিবর্তিত), ২৭ হাজার ৮৩৬ জন (গ্রেড পরিবর্তিত), ৪ হাজার ৫৮৫ জন (ফেল থেকে পাস), ৩ হাজার ৭৯ জন (জিপিএ-৫ পেয়েছে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖