📌 রাজশাহী বোর্ডের এইচএসসি ফল প্রকাশে দেখা যায়, জাতীয়কৃত ৯টি সরকারি কলেজের মধ্যে ৬টিতে পাসের হার বোর্ডের গড় ৪৫.৬ শতাংশের নিচে। শিক্ষকসংকট ও শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতির কারণে ফল খারাপ হয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে
রাজশাহী বোর্ডের এইচএসসি ফল প্রকাশের পর দেখা গেছে, জাতীয়কৃত ৯টি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা বোর্ডের গড় পাসের হার থেকে পিছিয়ে রয়েছে। বিশেষত গ্রামাঞ্চলের কলেজগুলোর ফল খারাপ হয়েছে। শিক্ষকসংকট ও শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতির কারণে এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহী বোর্ডের এইচএসসি ফল প্রকাশে ৯টি জাতীয়কৃত কলেজের মধ্যে ৬টিতে পাসের হার বোর্ডের গড় ৪৫.৬ শতাংশের নিচে
- 📌 গোদাগাড়ী সরকারি কলেজে সর্বনিম্ন ২০.৪৮ শতাংশ পাসের হার, যেখানে ২০৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৪২ জন পাস করেছেন
- 📌 দুর্গাপুরের দাউকান্দি সরকারি কলেজে ২০.৫১ শতাংশ পাসের হার, ১৫৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩২ জন পাস
- 📌 বাঘা উপজেলার শাহদৌলা সরকারি কলেজে ৩৫.৪০ শতাংশ পাসের হার, ৪৩৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৪ জন পাস
- 📌 শিক্ষকসংকট ও শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতির কারণে ফল খারাপ হয়েছে বলে অভিযোগ
- 📌 জাতীয়করণের পর ২০১৮ সাল থেকে এ কলেজগুলিতে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বোর্ডের এইচএসসি ফল প্রকাশের পর দেখা গেছে, জেলার ৯টি উপজেলা সরকারি কলেজের গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪১.১০ শতাংশ। বোর্ডের গড় পাসের হার ৪৫.৬ শতাংশ হলেও এই কলেজগুলোর ফল খুবই খারাপ। বিশেষত গ্রামাঞ্চলের কলেজগুলোর অবস্থা করুণ।
গোদাগাড়ী সরকারি কলেজে সর্বনিম্ন পাসের হার ২০.৪৮ শতাংশ। এই কলেজ থেকে ২০৫ জন পরীক্ষা দিয়ে মাত্র ৪২ জন পাস করেছেন। কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাননি। এরপর দুর্গাপুরের দাউকান্দি সরকারি কলেজে পাসের হার ২০.৫১ শতাংশ। এই কলেজে ১৫৬ জন পরীক্ষা দিয়ে ৩২ জন পাস করেছেন। এই কলেজেও কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাননি।
বাঘা উপজেলার শাহদৌলা সরকারি কলেজে পাসের হার ৩৫.৪০ শতাংশ। এই কলেজে ৪৩৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৪ জন পাস করেছেন। ৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। অন্যদিকে, তুলনামূলক ভালো ফল করেছেন জেলার সরদহ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। এখানে পাসের হার ৬৮.১৫ শতাংশ, যা বোর্ডের গড় পাসের হারের চেয়ে বেশি। এই কলেজ থেকে ৩৮৩ জন পরীক্ষা দিয়ে ২৬১ জন পাস করেছেন এবং ১৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
শিক্ষকসংকট ও শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতি এই ফল খারাপের প্রধান কারণ বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। শিক্ষকসংকটের কারণে কলেজগুলোতে যথাযথ পাঠদান সম্ভব হয়নি। শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ থাকায় অনেক শিক্ষক অবসরে যাওয়ার পর নতুন শিক্ষকের পদায়ন হয়নি।
"এটা কি খুশি হওয়ার মতো রেজাল্ট হয়েছে? আমরা খুশি হতে পারিনি। থাকে। আগামীতে যাতে ভালো হয়, আমরা সেই চেষ্টা করব।"
— ড. মো. মোস্তফা কামাল, তানোরে সরকারি আব্দুল করিম সরকার কলেজের অধ্যক্ষ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বোর্ডের ৯টি উপজেলা সরকারি কলেজ (গোদাগাড়ী, দাউকান্দি, শাহদৌলা, ভবানীগঞ্জ, নওহাটা, সরদহ, মোহনপুর, বানেশ্বর, তানোরে)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মো. মোস্তফা কামাল (অধ্যক্ষ), শিক্ষার্থীরা, শিক্ষকরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯টি কলেজ, ৬টি কলেজে পাস হার নিচে, ৪৫.৬% বোর্ডের গড় পাস হার, ৪১.১০% কলেজগুলোর গড় পাস হার, ২০.৪৮% সর্বনিম্ন পাস হার (গোদাগাড়ী কলেজ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!