📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নোয়াখালীর আমন ধান: খরায় পুড়ে গেছে কৃষকদের আশা, ফলন বিপর্যয়ের মুখে

নোয়াখালীর আমন ধান: খরায় পুড়ে গেছে কৃষকদের আশা, ফলন বিপর্যয়ের মুখে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালীর আমন ধানের মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে আবাদ পিছিয়ে গেলেও বৃষ্টি বন্ধের পর খরায় ধানখেতে পানি সংকট দেখা দিয়েছে। ফলন আসার আগেই শুকিয়ে গেছে হাজার হেক্টর জমির ধান। কৃষকদের ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি ও খাদ্য সংকটের আশঙ্কা জাগিয়েছে

নোয়াখালী জেলায় আমন ধানের মৌসুমে খরার কারণে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। অতিবৃষ্টির কারণে আবাদ পিছিয়ে গেলেও বৃষ্টি বন্ধের পর খরায় ধানখেতে পানি সংকট দেখা দিয়েছে। ফলন আসার আগেই শুকিয়ে গেছে হাজার হেক্টর জমির ধান। এতে কৃষকদের ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি ও খাদ্য সংকটের আশঙ্কা জাগিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নোয়াখালীতে অতিবৃষ্টির কারণে আমন ধানের আবাদ এক মাস পিছিয়ে গিয়েছিল, কিন্তু বৃষ্টি বন্ধের পর খরায় ধানখেতে পানি সংকট দেখা দিয়েছে
  • 📌 ফলন আসার আগেই শুকিয়ে গেছে হাজার হেক্টর জমির ধান, ফেটে গেছে খেতের জমি
  • 📌 কৃষকদের মতে, পানি না থাকায় সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, ফলনের বেশিরভাগই চিটা হয়ে আছে
  • 📌 জেলায় ১ লাখ ৭০ হাজার ৬২২ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদ হয়েছে, লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৯৫০ টন চাল উৎপাদন
  • 📌 সরকারিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে, পরবর্তীতে প্রণোদনা ও সহযোগিতা দেওয়ার পরিকল্পনা

📰 বিস্তারিত

নোয়াখালীর সুবর্ণচর, হাতিয়া, সদর, কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলায় আমন ধানের মৌসুমে খরার কারণে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। বৃষ্টি বন্ধের পর সেচ দিয়ে বীজতলা তৈরি এবং খেতে আমন চাষ করা হলেও, দুই মাস ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় ধানখেতে পানির সংকট দেখা দিয়েছে। জমিতে পানি না থাকায় রোদ ও গরমে ধানগাছ শুকিয়ে গেছে। ফলন আসার আগেই শুকিয়ে গেছে বেশ কয়েক হাজার একরের ধানগাছ। ফেটে গেছে খেতের জমি। সতেজ থাকা ধানগাছেও ফলন আসেনি।

সদর, সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, আমনখেতের বিপর্যয়ের দৃশ্য। সুবর্ণচরের চরওয়াপদা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক মো. ইউছুফ বলেছেন, তিনি আট শতক জমিতে আমন আবাদ করেছেন। তাঁর খেতে পুরো জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। বেশির ভাগ ধানগাছ ফলন আসার আগেই শুকিয়ে গেছে। দেখে মনে হয়, আগুনের তাপে পুড়ে বা ঝলসে গেছে। আশপাশের গাছের ছায়ার নিচে পড়া খেতেও ফলন তেমন হয়নি।

চর আমান উল্লাহ ইউনিয়নের কৃষক মফিজ উল্লাহ বলেছেন, ‘আমন চাষের আগে প্রতিদিন বৃষ্টি ছিল। প্রথম দিকে বন্যা হওয়ার শঙ্কায় আমরা আমন চাষের আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম। বৃষ্টিপাত বন্ধ হওয়ার পর চারা রোপণ শুরু করলাম। কিন্তু ফলন আসার আগে-পরে মিলে দুই মাসের বেশি সময় ধরে আর বৃষ্টি হচ্ছে না। পানি সেচ দেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না। আমার এক একর জমির বেশির ভাগ ধানগাছ শুকিয়ে গেছে। ব্যাংক ঋণ এবং সুদে টাকা নিয়ে আবাদ করে এখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি।’

চরওয়াপদা ইউনিয়নের কৃষক মো. মুরাদ উদ্দিন বলেছেন, ‘দুই মাসের বেশি সময় ধরে বৃষ্টি না থাকায় আমার সাড়ে তিন একর জমির ফসল ঝলসে গেছে। যেটুকু আছে, সেটুকুতে ফলন তেমন হয়নি। এখন যে অবস্থা, তাতে পথে বসা ছাড়া উপায় নেই।’ সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল মতিন বলেছেন, ‘ফসলের যে অবস্থা তাতে এবার ধান ঘরে তোলার আশা ছেড়ে দিয়েছি। জুলাইয়ে অতিবৃষ্টির কারণে নির্দিষ্ট সময়ে আবাদ শুরু করতে পারিনি। আবার ফলন আসার সময় বৃষ্টি না থাকায় গাছ পুড়ে গেছে।’

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের কৃষক রহিম উদ্দিন বলেছেন, ‘প্রতিবছর ধান আবাদে আমরা ধারদেনা করে থাকি। আবাদের জন্য প্রতিজন শ্রমিক নিতে হয়েছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা দিয়ে। এরপর সার, কীটনাশকের খরচ আছে। এখন দূর থেকে পানি আনতে হলে প্রতি একরে পাঁচ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে। এত টাকা বিনিয়োগ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।’

"আমন চাষের আগে প্রতিদিন বৃষ্টি ছিল। বৃষ্টিপাত বন্ধ হওয়ার পর চারা রোপণ শুরু করলাম। কিন্তু ফলন আসার আগে-পরে মিলে দুই মাসের বেশি সময় ধরে আর বৃষ্টি হচ্ছে না। পানি সেচ দেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নোয়াখালী জেলা (সুবর্ণচর, হাতিয়া, সদর, কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট উপজেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইউছুফ, মফিজ উল্লাহ, মো. মুরাদ উদ্দিন, আব্দুল মতিন, রহিম উদ্দিন, আশীষ কুমার কর (উপপরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ৭০ হাজার ৬২২ হেক্টর জমি, ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৯৫০ টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖