📌 কুমিল্লার বাগমারা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় শিক্ষক অভাবের কারণে ২১ শিক্ষার্থী আলিম পরীক্ষায় পাস করতে ব্যর্থ হয়েছে। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক জানান, দাখিল বিভাগের শিক্ষকদের দিয়েই আলিম বিভাগ পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ এবং ফলাফল নিয়ে চ্যালেঞ্জ করার কথা বলেছেন
কুমিল্লার দেবিদ্বারে বাগমারা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় শিক্ষক অভাবের কারণে ২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২১ শিক্ষার্থীর মধ্যে কেউই পাস করতে পারেননি। এই বিপর্যয়কর ফলাফল অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক জানান, আলিম বিভাগে শিক্ষক না থাকায় দাখিল বিভাগের শিক্ষকদের দিয়েই শিক্ষার্থীদের পড়ানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লার বাগমারা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় ২১ শিক্ষার্থী আলিম পরীক্ষায় অংশ নেয়, কিন্তু কেউই পাস করেনি
- 📌 মাদ্রাসায় দাখিল বিভাগের ১৪ জন শিক্ষক ও ৪ জন কর্মচারী থাকলেও আলিম বিভাগে কোনো শিক্ষক নেই
- 📌 ১৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়, যার মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী
- 📌 অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আলিম বিভাগ এমপিওভুক্ত নয়, তাই শিক্ষক নেই
- 📌 অভিভাবকরা ফলাফল নিয়ে চ্যালেঞ্জ করার কথা বলেছেন
📰 বিস্তারিত
২০২৬ সালের এইচএসসি সমমান আলিম পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বাগমারা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ২১ শিক্ষার্থীর মধ্যে কেউই পাস করতে পারেননি। এই ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক জানান, ‘আমাদের দাখিল বিভাগ এমপিওভুক্ত হলেও আলিম বিভাগ এমপিওভুক্ত নয়। তাই আলিম বিভাগের জন্য কোনো শিক্ষক নেই। দাখিল বিভাগের শিক্ষকদের দিয়েই আলিম বিভাগ পরিচালনা করা হচ্ছে।’
মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, ‘দাখিল বিভাগে মোট ১৪ জন শিক্ষক ও ৪ জন কর্মচারী রয়েছে। কিন্তু আলিম বিভাগের জন্য শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়ানো হয় দাখিল বিভাগের শিক্ষকদের দ্বারা। আমরা আশা করেছিলাম অন্তত ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী পাস করবে, কিন্তু এমন ফলাফল আসার কথা ভাবিনি।’
মাদ্রাসায় ২১ জন শিক্ষার্থী ফরম ফিলআপ করলেও পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৬ জন। এর মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী শিক্ষার্থী রয়েছে। অধ্যক্ষ জানান, ‘এদের মধ্যে অনেকের বিবাহ হয়ে গেছে। তাদের বারবার ডেকে এনে কোচিং করিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করাতে হয়েছে।’
মাদ্রাসার সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু মুসা ভূঁইয়ার কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, ‘মাদ্রাসার অনেক শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় পাস করে কলেজে ভর্তি হয়ে যায়। ফলে উচ্চ শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষার্থী থাকেন না। তবে বাগমারা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করব। ভবিষ্যতে কীভাবে ভালো ফলাফল করা যায়, সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করব।’
"আমাদের দাখিল বিভাগ এমপিওভুক্ত হলেও আলিম বিভাগ এমপিওভুক্ত নয়। তাই আলিম বিভাগের জন্য কোনো শিক্ষক নেই। দাখিল বিভাগের শিক্ষকদের দিয়েই আলিম বিভাগ পরিচালনা করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাগমারা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা, কুমিল্লার দেবিদ্বারে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক (অধ্যক্ষ), দেওয়ান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর (উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ জন শিক্ষার্থী (পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম দিয়েছিল), ১৬ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ, ৩ জন পুরুষ, ১৩ জন নারী, ১৪ জন শিক্ষক (দাখিল বিভাগ), ৪ জন কর্মচারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!