📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া: অজু ছাড়া কি বৈধ? ইসলামি ফিকহের বিস্তারিত ব্যাখ্যা

মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া: অজু ছাড়া কি বৈধ? ইসলামি ফিকহের বিস্তারিত ব্যাখ্যা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মোবাইল ফোনে কোরআন পড়ার বিষয়ে ইসলামি ফিকহে আলোচিত প্রশ্ন: অজু ছাড়া কি বৈধ? ফিকহবিদদের মতে, মোবাইল ফোনকে মুসহাফ হিসেবে গণ্য করা হয় না, তাই অজু ছাড়া পড়া জায়েজ। তবে কোরআনের আয়াতের ওপর সরাসরি আঙুল না লাগানো উত্তম বলে মনে করা হয়

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কোরআন পাঠের প্রচলন বৃদ্ধি পেলে সৃষ্ট হয়েছে একটি ইসলামি ফিকহে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন: অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া কি বৈধ? ফিকহবিদদের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ছাপানো মুসহাফের মতো মোবাইল ফোনকে মুসহাফ হিসেবে গণ্য করা হয় না। ফলে অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পাঠ করা জায়েজ, তবে কোরআনের আয়াতের ওপর সরাসরি আঙুল না লাগানো উত্তম বলে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মুসহাফের সাথে মোবাইল ফোনের পার্থক্য: ছাপানো মুসহাফের কাগজ ও কালির বাস্তব অস্তিত্ব থাকলেও মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে দৃশ্যমান আয়াতগুলো ইলেকট্রনিক ডেটা বা আলোর রশ্মি — কোনো স্থায়ী অস্তিত্ব নেই।
  • 📌 ফিকহি মর্যাদা: মোবাইল ফোনকে মুসহাফ হিসেবে গণ্য করা হয় না, তাই অজু ছাড়া ফোন হাতে ধরা এবং স্ক্রিনে কোরআন পাঠ করা বৈধ।
  • 📌 আদব ও শিষ্টাচার: অজু ছাড়া সরাসরি কোরআনের আয়াতের ওপর আঙুল না লাগানো উত্তম। স্ক্রিনের খালি জায়গায় বা ফোনের বডিতে ধরে স্ক্রল করা উচিত।
  • 📌 মুখস্থ পাঠের বিধান: অজু ছাড়া মুখস্থ পাঠ করা জায়েজ, তাই মোবাইল ফোন থেকে দেখে পড়াকে মুখস্থ পড়ার সমতুল্য ধরা হয়।
  • 📌 ফিকহবিদদের মতামত: দারুল উলুম দেওবন্দসহ সমকালীন ফতোয়া বোর্ডগুলোর সর্বসম্মত মত হলো, মোবাইল ফোনে অজু ছাড়া কোরআন পড়া বৈধ।

📰 বিস্তারিত

ছাপানো মুসহাফের পাতা অজু ছাড়া স্পর্শ করা ইসলামে নিষিদ্ধ। আল্লাহর নির্দেশে বলা হয়েছে, ‘যারা পূর্ণ পবিত্র, তারা ছাড়া অন্য কেউ তা (কোরআন) স্পর্শ করবে না’ (সুরা ওয়াকিয়া, আয়াত: ৭৯)। সাহাবি আমর ইবনে হাজমকে মহানবী (সা.) একটি চিঠিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন, ‘পবিত্র ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ যেন কোরআন স্পর্শ না করে’ (মুওয়াত্তা ইমাম মালিক, হাদিস: ৪৬৮)। এই বিধানের ভিত্তিতে চার মাজহাবের ফকিহগণ একমত যে অজু ছাড়া মুসহাফ স্পর্শ করা নাজায়েজ।

মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে আলাদা বিবেচনা করা হয়। স্ক্রিনের গ্লাস বা কাচ একটি আলাদা আবরণ হিসেবে কাজ করে এবং আয়াতের লেখাগুলো সেই গ্লাসের নিচে প্রতিফলিত হয়। তাই সরাসরি হরফ স্পর্শ করার বিষয়টি এখানে ঘটে না। হানাফি ফিকহের একটি মূলনীতি অনুসারে, মুসহাফের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয় এমন কোনো আলাদা আবরণ বা পর্দার সাহায্যে মুসহাফ স্পর্শ করা জায়েজ। ইমাম ইবনে আবিদিনের লেখা ‘রদ্দুল মুহতার আলাদ দুররিল মুখতার’-এ উল্লেখ করা হয়েছে, ‘মুসহাফের সঙ্গে সেলাই করা বা যুক্ত নয় এমন আলাদা কোনো আবরণ বা থলের সাহায্যে অজু ছাড়া কোরআন ধরা বা বহন করা বৈধ’ (১/১৭৩, দারুল ফিকর, বৈরুত, ১৯৯২)।

ফিকহবিদদের মতে, মোবাইল ফোনে কোরআন পড়ার ক্ষেত্রে স্ক্রিনের গ্লাস বা কাচকে সেই আবরণ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই সরাসরি আয়াতের ওপর আঙুল না লাগানো উত্তম। তবে অজু ছাড়া মোবাইল ফোন হাতে ধরা এবং স্ক্রিনে দেখে দেখে কোরআন পাঠ করা সম্পূর্ণ জায়েজ। সমকালীন ফতোয়া বোর্ডগুলোর সর্বসম্মত মত হলো, মোবাইল ফোন মুসহাফ নয়, তাই অজু ছাড়া পড়া বৈধ।

"মুসহাফের সঙ্গে সেলাই করা বা যুক্ত নয় এমন আলাদা কোনো আবরণ বা থলের সাহায্যে অজু ছাড়া কোরআন ধরা বা বহন করা বৈধ।"

— ইমাম ইবনে আবিদিন, রদ্দুল মুহতার আলাদ দুররিল মুখতার

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মোবাইল ফোনের স্ক্রিন (ডিজিটাল ডিভাইস)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমাম ইবনে আবিদিন, সাহাবি আমর ইবনে হাজম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: আয়াত ৭৯ (সুরা ওয়াকিয়া), হাদিস ৪৬৮ (মুওয়াত্তা ইমাম মালিক)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖