📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুমিল্লার শিক্ষার্থী আদনান আলতাফের মৃত্যু: মা বাংলাদেশে এসে লাশ নিয়ে ফিরছেন, মৃত্যু কারণ অজানা

কুমিল্লার শিক্ষার্থী আদনান আলতাফের মৃত্যু: মা বাংলাদেশে এসে লাশ নিয়ে ফিরছেন, মৃত্যু কারণ অজানা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুমিল্লার ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী আদনান আলতাফের মৃত্যুতে তার মা নিঘাত বেগম বাংলাদেশে এসে লাশ নিয়ে ফিরছেন। ২ নভেম্বর রাতে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর ৪ নভেম্বর কলেজের পাশের পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত্যু কারণ এখনো স্পষ্ট নয়

কুমিল্লার ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী আদনান আলতাফের মৃত্যুতে তার মা নিঘাত বেগম বাংলাদেশে এসে লাশ নিয়ে ফিরছেন। সন্তানের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে ভারতের জম্মু-কাশ্মীর থেকে ছেলেকে নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন মা। কিন্তু সেই স্বপ্নের করুণ পরিসমাপ্তি ঘটে সন্তানের রহস্যজনক মৃত্যুতে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আদনান আলতাফ (২২) — ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী, জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দা, ২ নভেম্বর রাতে নিখোঁজ হয়ে যান
  • 📌 মা নিঘাত বেগম বাংলাদেশে এসে লাশ নিয়ে ফিরছেন, মরদেহ ৪ নভেম্বর কলেজের পাশের পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়
  • 📌 মৃত্যু কারণ অজানা — ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই জানা যাবে দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি অন্য কারণে মৃত্যু
  • 📌 আদনান দীর্ঘদিন পড়াশোনায় অনিয়মিত ছিলেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে পিছিয়ে পড়েছিলেন
  • 📌 ৩০ অক্টোবর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য মাকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন, ২ নভেম্বর রাতে নিখোঁজ হন

📰 বিস্তারিত

সন্তানের স্বপ্ন ছিল চিকিৎসক হবেন। সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলার সুপুর এলাকার বাসিন্দা আলতাফ হোসাইন রাথারের ছেলে আদনান আলতাফের মা নিঘাত বেগম বাংলাদেশে এসেছিলেন। ভেবেছিলেন, বিদেশের মাটিতে হলেও সন্তানের পড়াশোনাটা শেষ হবে। কিন্তু সেই স্বপ্নের করুণ পরিসমাপ্তি হলো সন্তানের রহস্যজনক মৃত্যুতে।

আদনান ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পড়াশোনায় অনিয়মিত ছিলেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে নিয়মিত ক্লাস ও পড়াশোনা করতে পারেননি। এতে তাঁর শিক্ষাজীবনে পিছিয়ে পড়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাঁকে চিকিৎসা ও কাউন্সেলিংয়ের জন্য দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সুস্থ হয়ে আবার পড়াশোনা শুরু করবেন, পরীক্ষায় অংশ নেবেন—এমন প্রত্যাশা থেকেই পরিবারের উদ্যোগে তাঁকে আবার বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে মাকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন আদনান। সন্তানের পড়াশোনার বিষয়টি যাতে আর বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য মা নিজেও তাঁর সঙ্গে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। গত ২ নভেম্বর রাতে কলেজের হোস্টেল থেকে বের হন আদনান। এরপর আর তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। কোথায় গেলেন, কার সঙ্গে গেলেন, কী ঘটেছিল তাঁর সঙ্গে, কোনো প্রশ্নের উত্তরই মিলছিল না।

সন্তানের সন্ধান না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন মা। পরদিন ৩ নভেম্বর কলেজ কর্তৃপক্ষ ও আদনানের মা বুড়িচং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে পুলিশ বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে অনুসন্ধান শুরু করে। কিন্তু সেই অপেক্ষার অবসান হয় এক ভয়াবহ খবরে। আজ বুধবার সকালে (৪ নভেম্বর) কলেজের পাশের একটি পুকুর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কলেজ ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন ওই জলাশয়ে ভাসছিল তাঁর নিথর দেহ।

"আদনান কলেজের ফাইনাল বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তবে অনিয়মিত হওয়ায় পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়েছিলেন। অসুস্থতার কারণে নিয়মিত লেখাপড়া করতে পারেননি। পরে তিনি দেশে চলে যান। বাড়িতে চিকিৎসা শেষে আবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য মাকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন।"

— রাজীব আশ্রাফ, ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের বিদেশি শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ক শিক্ষক

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান জানান, স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তিনি আরও জানান, মরদেহ ঢাকায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হবে। সেখানে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ভারতে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

কলেজের চেয়ারম্যান শাহ মো. সেলিম বলেন, আদনান মানসিকভাবে কিছুটা বিপর্যস্ত ছিলেন। নিয়মিত ক্লাস করতেন না। বিষয়টি তাঁর অভিভাবকদের জানানো হলে তাঁরা তাঁকে দেশে নিয়ে কাউন্সেলিং করান। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীর মানসিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে তাঁর মাকেও সঙ্গে রাখা হয়েছিল। ঘটনার দিন রাতে মাকে খাবার দিতে বলে নিজের কক্ষ থেকে বের হন। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো একসময় পুকুরপাড়ে গিয়ে বসেছিলেন। হয়তো পানিতে পড়ে যাওয়ার পর আর উঠতে পারেননি। তবে প্রকৃত ঘটনা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যেতে পারে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুমিল্লা, ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ (বুড়িচং উপজেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আদনান আলতাফ (২২), নিঘাত বেগম (মা), লুৎফুর রহমান (ওসি), রাজীব আশ্রাফ (শিক্ষক), শাহ মো. সেলিম (চেয়ারম্যান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ গজ (পুকুর থেকে কলেজের দূরত্ব), ৩০ অক্টোবর (বাংলাদেশে আসা), ২ নভেম্বর (নিখোঁজ), ৩ নভেম্বর (জিডি করা), ৪ নভেম্বর (মরদেহ উদ্ধার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖