📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সম্পত্তি দান করেও শেষ জীবনে নিরাপত্তা হারাবেন না প্রবীণরা, নতুন আইনের প্রস্তাব সংসদে

সম্পত্তি দান করেও শেষ জীবনে নিরাপত্তা হারাবেন না প্রবীণরা, নতুন আইনের প্রস্তাব সংসদে

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সম্পত্তি দান করেও প্রবীণরা তাদের জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত নিজেদের ঘর ও সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবেন। সরকার সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে সংশোধনী এনে এমন বিধান যুক্ত করতে যাচ্ছে

বাংলাদেশ সরকার সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী আনতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে সম্পত্তি দান করেও প্রবীণরা তাদের জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত নিজেদের ঘর ও সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবেন। নতুন বিধান অনুযায়ী, সম্পত্তি দানের পরও দাতার আজীবন ভোগদখলের অধিকার থাকবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সম্পত্তি দান করেও প্রবীণরা নিজেদের ঘর ও সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবেন
  • 📌 সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬ সংসদে উত্থাপিত হয়েছে
  • 📌 নতুন বিধান অনুযায়ী দাতার আজীবন ভোগদখলের অধিকার থাকবে
  • 📌 স্বামী-স্ত্রী ও রক্তসম্পর্কীয় ব্যক্তিদের মধ্যে সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হবে
  • 📌 স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তি দান করতে হবে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ সরকার সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী আনতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে সম্পত্তি দান করেও প্রবীণরা তাদের জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত নিজেদের ঘর ও সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবেন। নতুন বিধান অনুযায়ী, সম্পত্তি দানের পরও দাতার আজীবন ভোগদখলের অধিকার থাকবে। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান গত ২৭ আগস্ট বিলটি সংসদে উপস্থাপন করেন।

প্রস্তাবিত আইনে ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে নতুন ১২২ক ও ১২২খ ধারা সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ‘আজীবন ভোগদখলের অধিকার’ সংরক্ষণ করে সম্পত্তি দানকে হস্তান্তরের একটি স্বতন্ত্র পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী, কোনো বাবা-মা তাদের সন্তান বা নাতি-নাতনিকে সম্পত্তি দান করতে পারবেন, আবার নাতি-নাতরাও তাদের পিতা-মাতা কিংবা দাদা-দাদি ও নানা-নানিকে এ ধরনের সম্পত্তি দান করতে পারবেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও একই ধরনের হস্তান্তরের সুযোগ থাকবে।

স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে এ দান করতে হবে। আইনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, সম্পত্তি দান করার পরও দাতা জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তি ব্যবহার ও ভোগদখল করতে পারবেন। অর্থাৎ সন্তান বা অন্য কোনো নিকটজনের নামে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পরও বাবা-মা তাদের বসতবাড়ি কিংবা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবেন না।

"সম্পত্তি হস্তান্তর করলেই যেন একজন বাবা-মাকে তার পরিচিত ঘর, বসতভিটা কিংবা জীবনযাপনের নিরাপত্তা হারাতে না হয়।"

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল কমিটিকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেন। বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সাংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। সরকারের মতে, প্রস্তাবিত আইনটি কোনো প্রচলিত দান বা হেবা ব্যবস্থাকে বাতিল কিংবা সীমিত করবে না। সাধারণ দান, মুসলিম আইনের হেবা এবং আইনস্বীকৃত অন্যান্য সম্পত্তি হস্তান্তর পদ্ধতি আগের মতোই বহাল থাকবে। নতুন ব্যবস্থা হবে সম্পত্তি হস্তান্তরের একটি পৃথক পদ্ধতি এবং এটি সব ধর্মাবলম্বীর ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আসাদুজ্জামান, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২২ (ধারা), ২৭ (আগস্ট), ৩০ (আগস্ট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖