📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃৎশিল্প ও ভাস্কর্য বিভাগের বার্ষিক প্রদর্শনী উদ্বোধনে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা অনুপস্থিত থাকায় চার ঘণ্টা অপেক্ষার পর শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে অনুষ্ঠান শুরু করেন। উপাচার্যের অসুস্থতার কারণে শেষ পর্যন্ত তাঁরা উপস্থিত হননি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মৃৎশিল্প ও ভাস্কর্য বিভাগের বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী উদ্বোধনে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে চার ঘণ্টা অপেক্ষার পর শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে অনুষ্ঠান শুরু করেন। নির্ধারিত সময় বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠান শুরুর কথা থাকলেও প্রশাসনের অতিথিরা উপস্থিত না হওয়ায় সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃৎশিল্প ও ভাস্কর্য বিভাগের বার্ষিক প্রদর্শনী উদ্বোধনে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত হননি
- 📌 নির্ধারিত সময় বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠান শুরু না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের চার ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে
- 📌 উপাচার্য অসুস্থ থাকায় শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানানো হয়
- 📌 চারুকলা অনুষদের অধিকর্তা ব্যতীত প্রশাসনের অন্য কোনো সদস্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি
- 📌 শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে অনুষ্ঠান শুরু করলে অভিভাবকসহ দর্শকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃৎশিল্প ও ভাস্কর্য বিভাগের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২৫ ও ২০২৬ সালের বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী, পুরস্কার বিতরণী ও গুণীজন সম্মাননা অনুষ্ঠান গতকাল শনিবার বিকেল ৪টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত না হওয়ায় অনুষ্ঠান শুরু করা হয়নি। আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানানো হয়, উপাচার্য অসুস্থ থাকায় তিনি অনুষ্ঠানে আসতে পারবেন না। ফলে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্যোগেই অনুষ্ঠান শুরু করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আব্দুল আলিম, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক (অব.) মতিয়ার রহমান ও চারুকলা অনুষদের অধিকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তবে চারুকলা অনুষদের অধিকর্তা ব্যতীত প্রশাসনের অন্য কোনো সদস্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি।
শিক্ষার্থী নাদিয়া নায়লা নওশিন বলেন, ‘শুধু প্রশাসনের অতিথিদের সময় দেওয়ার জন্য আমাদের অনুষ্ঠান বিকেল ৪টার পরিবর্তে সন্ধ্যা সাতটায় শুরু করতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তাঁরা আসেননি। সময়ের মূল্য কি শুধু তাঁদেরই আছে?’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের অভিভাবকরাও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেছেন। অনেকেই দূর থেকে এসেছিলেন, তাঁদের অনেকেই অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগেই ফিরে যেতে বাধ্য হন।’
‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় নবীনবরণ নিয়ে ব্যস্ততার কারণেই প্রশাসনের কেউ উপস্থিত হতে পারেননি। আমাদের শিক্ষার্থীরা অনেক কষ্ট করে আয়োজন করেছিল। এ কারণে তাদের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।’ — অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম, সভাপতি, মৃৎশিল্প ও ভাস্কর্য বিভাগ
উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আব্দুল আলিম বলেন, ‘ব্যস্ততার কারণেই সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। সারাদিন নবীনবরণসহ বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত ছিলাম। বিকেলের দিকে যদি ফোন করে বিষয়টি মনে করিয়ে দেওয়া হতো, তাহলে অবশ্যই যেতাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘তারা একটি বিশেষ ধরনের কার্ড দিয়েছিল, যেটি না দেখলে বোঝার উপায় নেই যে সেটি আমন্ত্রণপত্র।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, শিক্ষার্থী নাদিয়া নায়লা নওশিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ ঘণ্টা, ৭টা, ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!