📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কৃষিতে নতুন দিগন্ত: ইউটিউব থেকে শেখা মাল্টা-কমলার বাগানে বছরে ২২ লাখ টাকা আয়

কৃষিতে নতুন দিগন্ত: ইউটিউব থেকে শেখা মাল্টা-কমলার বাগানে বছরে ২২ লাখ টাকা আয়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার জমির উদ্দিন ইউটিউব দেখে শুরু করেন মিশ্র ফলের বাগান। প্রথম বছরেই তাঁর আয় হয় ২২ লাখ টাকা। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হলেও আগামী মৌসুমে আরও বেশি আয় করার প্রত্যাশা তাঁর

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় ইউটিউব দেখে শেখা কৃষিপদ্ধতিতে মিশ্র ফলের বাগান করে সাফল্য পেয়েছেন জমির উদ্দিন (৪৫)। সৌদি আরব ও কাতারে প্রায় ১৩ বছর প্রবাস জীবন কাটানোর পর দেশে ফিরে বিভিন্ন ব্যবসায় ব্যর্থ হন তিনি। অবশেষে কৃষিক্ষেত্রে মনোনিবেশ করে প্রথম বছরেই ২২ লাখ টাকার ফল বিক্রি করে আলোচিত হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জমির উদ্দিনের মিশ্র ফলের বাগানে রয়েছে ১ হাজার ৪০০টি পেয়ারা, ৭৮০টি বারি-১ মাল্টা, ২০টি বারোমাসি মাল্টা, ২৫০টি জাম্বুরা ও ২৫০টি দার্জিলিং কমলার গাছ
  • 📌 ২০২৩ সালে চার একর জমি লাগিয়ত নিয়ে শুরু করা বাগানে দুই বছরে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩২ লাখ টাকা
  • 📌 গত বছর প্রথম ফলন থেকে ২২ লাখ টাকার ফল বিক্রি করেন জমির উদ্দিন
  • 📌 জুলাইয়ের বন্যায় তাঁর বাগানের প্রায় ৩৫ হাজার পেয়ারা ও ১০ হাজার মাল্টা ঝরে পড়ে; ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ টাকা
  • 📌 চলতি মৌসুমে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ফল বিক্রির আশা তাঁর

📰 বিস্তারিত

সৌদি আরব ও কাতারে প্রায় ১৩ বছর কাটানোর পর দেশে ফিরে বিভিন্ন ব্যবসায় ব্যর্থ হন জমির উদ্দিন। প্রসাধনীর দোকান, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া দেওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও স্থায়ী সাফল্য আসেনি। অবশেষে তিনি মনোনিবেশ করেন কৃষিক্ষেত্রে। ইউটিউব দেখে নতুন নতুন কৃষিপদ্ধতি শিখে শুরু করেন মিশ্র ফলের বাগান। তাঁর এই উদ্যোগ এখন তাঁর আয় ও জীবিকার প্রধান উৎস হয়ে উঠেছে।

জমির উদ্দিনের বাগানটি অবস্থিত কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি এলাকায়। আনোয়ারা-বাঁশখালী-চকরিয়া (এবিসি) আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে পূর্ব দিকে প্রায় এক কিলোমিটার গেলে পাহাড়ি ছড়া ধরে তাঁর বাগানটি দেখা যায়। চারপাশে পাহাড়ঘেরা এই বাগানে একসঙ্গে কয়েক ধরনের ফলের চাষ করা হয়েছে।

জমির উদ্দিনের বাগানে রয়েছে ১ হাজার ৪০০টি পেয়ারা, ৭৮০টি বারি-১ মাল্টা, ২০টি বারোমাসি মাল্টা, ২৫০টি জাম্বুরা ও ২৫০টি দার্জিলিং কমলার গাছ। এসব চারা তিনি সংগ্রহ করেছেন নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে। তাঁর বাগানে কর্মরত দুই শ্রমিক নিয়মিত পরিচর্যা ও আগাছা পরিষ্কার করছেন।

২০২৩ সালে চার একর জমি লাগিয়ত নিয়ে শুরু করা এই বাগানে দুই বছরে তাঁর ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩২ লাখ টাকা। গত বছর প্রথম ফলন থেকেই তিনি ২২ লাখ টাকার ফল বিক্রি করেন। স্থানীয় বাজারে মাল্টা প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৫০ টাকা এবং পেয়ারা ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

তবে জুলাইয়ের শুরুতে পেকুয়ার বন্যায় তাঁর বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। টানা ছয় দিন ডুবে থাকার কারণে প্রায় ৩৫ হাজার পেয়ারা ও ১০ হাজার মাল্টা ঝরে পড়ে। এ ছাড়া অন্তত ৭০০টি ফল গাছও মারা যায়। এতে তাঁর ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকা। তবুও চলতি মৌসুমে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ফল বিক্রির আশা করছেন তিনি।

"কঠোর পরিশ্রম আর পুঁজি খাটালে দেশে বসেই বিদেশের চেয়ে বেশি আয় করা সম্ভব। বন্যায় এ বছর ক্ষতি হয়েছে। তবে আমার বাগান তো আর এক দিনের জন্য না। হয়তো এ বছর আয় কম হবে। তবে সেটি আগামী বছর পুষিয়ে নিতে পারব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পেকুয়া, কক্সবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জমির উদ্দিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ লাখ টাকা, ৩২ লাখ টাকা, ১ হাজার ৪০০টি গাছ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖