📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাত্রী হলের গেট বন্ধের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে রাত ১১টায় নির্ধারণ করেছে। একই সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিরোধিতা ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শিক্ষাগত যোগ্যতা লঙ্ঘনের অভিযোগে চার শিক্ষককে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলগুলোর গেট বন্ধের সময়সীমা এক ঘণ্টা বৃদ্ধি করে রাত ১১টায় নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পূর্বে গেট বন্ধ হতো রাত ১০টায়। গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলগুলোর গেট বন্ধের সময় বৃদ্ধি করে রাত ১১টায় নির্ধারণ
- 📌 পূর্বে গেট বন্ধ হতো রাত ১০টায়
- 📌 জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিরোধিতা ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শিক্ষাগত যোগ্যতা লঙ্ঘনের অভিযোগে চার শিক্ষককে সাময়িক বহিষ্কার
- 📌 সাময়িক বহিষ্কৃত চার শিক্ষকের মধ্যে রয়েছেন এম ওয়াহিদুজ্জামান চাঁন, মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, মশিউর রহমান ও মো. জিয়াউর রহমান
📰 বিস্তারিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভায় হলের গেট বন্ধের সময় বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে ছাত্রী হলগুলোর গেট রাত ১১টায় বন্ধ হবে। এর আগে গেট বন্ধ হতো রাত ১০টায়। সভায় উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন।
একই সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বিরোধিতার অভিযোগে তিনজন এবং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ না করে শিক্ষক হওয়ার অভিযোগে একজনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সাময়িক বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এম ওয়াহিদুজ্জামান চাঁন, অধ্যাপক মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মশিউর রহমান। তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
সাময়িক বহিষ্কৃত চতুর্থ শিক্ষক হলেন সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. জিয়াউর রহমান (সায়েম রানা)। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ না করার অভিযোগে তাঁকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
"একজন অধ্যাপক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ সিদ্ধান্তে আমি হতাশ হয়েছি। জুলাই আন্দোলনে আমি ছাত্রদের পক্ষেই ছিলাম এবং তাঁদের একজনকে জামিন করানোর জন্য থানাতেও গিয়েছিলাম।"
"আন্দোলনের সময় আমি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কিছুই বলিনি। যেসব অভিযোগের ভিত্তিতে আমার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা ভিত্তিহীন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, এম ওয়াহিদুজ্জামান চাঁন, মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, মশিউর রহমান, মো. জিয়াউর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন শিক্ষক, রাত ১১টা, রাত ১০টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!