📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধার মারধর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় ফাউন্ডেশনের ১৪ জন আসামি, সিআইডির তদন্তে আদেশ

গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধার মারধর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় ফাউন্ডেশনের ১৪ জন আসামি, সিআইডির তদন্তে আদেশ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা মো. গিয়াস উদ্দিনের মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ১৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আসামি করে আদালতে মামলা হয়েছে। সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়ে আদালত আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন

গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা মো. গিয়াস উদ্দিনের মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ১৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মোট ৩৪ থেকে ৩৯ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে ফাউন্ডেশনের সাইদুর রহমান শহীদ (২৪) ও ইফতেখার হোসেনকে (৩০)
  • 📌 অভিযোগে বলা হয়, গিয়াস উদ্দিন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য ফাউন্ডেশনে যোগাযোগ করলে তাঁকে চাঁদা দাবি করা হয়
  • 📌 গত বছরের ৩ মে ঘটনাস্থলে গিয়াস উদ্দিনকে মারধর ও শারীরিক নির্যাতনের পর তাঁর ডান চোখ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়
  • 📌 আদালত সিআইডিকে তদন্ত করে আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

মারধর, চাঁদা দাবি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। গিয়াস উদ্দিন নামের গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে জানান, সরকার ঘোষিত সুযোগ-সুবিধা ও চেক পাওয়ার জন্য তিনি বারবার ফাউন্ডেশনে যোগাযোগ করলেও তাঁকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘোরানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে তাঁর কাছে অবৈধ সুবিধা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত বছরের ৩ মে বেলা তিনটার দিকে গিয়াস উদ্দিন চেক নিতে জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনে যান। সেখানে তাঁর সরকারি বরাদ্দের ৩ লাখ টাকার মধ্যে ৫০ শতাংশ অর্থাৎ দেড় লাখ টাকা চাঁদা হিসেবে দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে কৌশলে একটি গোপন কক্ষে নিয়ে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে গিয়াস উদ্দিন জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) স্থানান্তর করা হয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. ইয়াসিন মিয়া আদালতকে জানান, ঘটনার পর গিয়াস উদ্দিন চিকিৎসা নেন। কয়েক দিন পর রমনা থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেনি। পরে তিনি ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের দায়িত্ব দিয়ে আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

"ঘটনার পর আমি চিকিৎসা নিই। কয়েক দিন পর রমনা থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেনি। পরে ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় আদালতে মামলা করি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. গিয়াস উদ্দিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ জন আসামি, ৩ লাখ টাকা, ৫০ শতাংশ, ৫ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖