📌 কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চলের তিনটি স্কুলের ৭৫০ জন শিক্ষার্থীর জন্য স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও আইনি সেবা নিয়ে তিন দিনব্যাপী বিশেষ সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু হয়েছে। ইউনিসেফের সহযোগিতায় পরিচালিত এই কর্মসূচিতে রয়েছে শিশু সুরক্ষা, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সরকারি সেবা সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ
কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চলের স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য, সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইনি সেবা নিশ্চিত করতে তিন দিনব্যাপী বিশেষ সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করেছে জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট। ইউনিসেফের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত ‘স্বপ্নসারথি-সি-শোর গার্লস প্রজেক্ট’-এর অধীন ৩০ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি আগামীকাল ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তিন দিনব্যাপী প্রচারণা শুরু হয়েছে ৩০ আগস্ট থেকে, চলবে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
- 📌 প্রচারণাটি পরিচালিত হচ্ছে আবুল কাশেম হাইস্কুল, কুরুলিয়া হাইস্কুল ও খুরুশকুল হাইস্কুলে
- 📌 তিনটি স্কুলের মোট ৭৫০ জন শিক্ষার্থীকে স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও আইনি সেবা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে
- 📌 কর্মসূচিতে রয়েছে শিশু সুরক্ষা, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সরকারি সেবা সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ
- 📌 শিক্ষার্থীদের জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ হেল্পলাইন ১০৯ এবং শিশু সুরক্ষা হেল্পলাইন ১০৯৮-এর ব্যবহার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চলের স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য, সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইনি সেবা নিশ্চিত করতে তিন দিনব্যাপী বিশেষ সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করেছে জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট। ইউনিসেফের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত ‘স্বপ্নসারথি-সি-শোর গার্লস প্রজেক্ট’-এর অধীন এই কর্মসূচি ৩০ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে আগামীকাল ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।
প্রচারণাটি তিনটি স্কুল—আবুল কাশেম হাইস্কুল, কুরুলিয়া হাইস্কুল ও খুরুশকুল হাইস্কুলে ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিদিন বেলা ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টাব্যাপী আয়োজিত এই সেশনগুলোয় অংশ নিচ্ছেন তিনটি স্কুলের মোট ৭৫০ জন শিক্ষার্থী। আয়োজকেরা জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের অনেক কিশোর-কিশোরী প্রয়োজনীয় তথ্য না জানার কারণে সঠিক সময়ে সেবা লাভ থেকে বঞ্চিত হয়।
এই তথ্যের ঘাটতি পূরণে সেশনগুলোতে শিশু সুরক্ষা, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সেফগার্ডিংসহ সরকারি-বেসরকারি সংস্থার যুব-বান্ধব সেবা পাওয়ার উপায় ও ‘সার্ভিস ডিরেক্টরি’ শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। প্রকল্পটির প্রকল্প ব্যবস্থাপক আমজাদ হোসেন বলেন, ‘সেবা ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য ও সুপারিশ তখনই কাজে আসবে যখন কিশোর-কিশোরীরা সেগুলো ব্যবহার করতে পারবে।’
"আমরা অনেক সময় কোনো সমস্যায় পড়লে কোথায় সাহায্য চাইতে হবে, তা জানি না। আজকের সেশন থেকে আমি হেল্পলাইন নম্বর, বিভিন্ন সেবা কোথায় পাওয়া যায় এবং নিজের ও অন্যের অধিকার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেয়েছি। এখন মনে হচ্ছে, প্রয়োজনে আমি নিজেও সঠিক জায়গায় সাহায্য চাইতে পারব এবং অন্যদেরও পথ দেখাতে পারব।" — আবুল কাশেম উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আসফিকা ইসলাম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আমজাদ হোসেন (প্রকল্প ব্যবস্থাপক), আসফিকা ইসলাম (শিক্ষার্থী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ দিন, ৩টি স্কুল, ৭৫০ জন শিক্ষার্থী, ৯৯৯, ১০৯, ১০৯৮
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!