📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় বিদ্যুৎ সম্প্রসারণে এডিবির ১৭৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় বিদ্যুৎ সম্প্রসারণে এডিবির ১৭৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় বিদ্যুৎ সুবিধা সম্প্রসারণে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ১৭৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে। প্রকল্পটির মাধ্যমে তিন জেলার ৮৮ হাজার পরিবার বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে এবং গ্রিড সংযোগের হার ৬৮ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে

পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার দুর্গম এলাকায় বিদ্যুৎ সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে সাড়ে ১৭ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার ২৬টি উপজেলায় বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে অন্তত ৮৮ হাজার পরিবার বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এডিবির ঋণের পরিমাণ: সাড়ে ১৭ কোটি ডলার
  • 📌 বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে: ৮৮ হাজার পরিবার (তাদের মধ্যে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ৩৫ হাজার পরিবার)
  • 📌 প্রকল্পের এলাকা: খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার ২৬টি উপজেলা
  • 📌 নির্মাণাধীন অবকাঠামো: ছয়টি ৩৩/১১ কিলোভোল্ট উপকেন্দ্র, ৫ হাজার ৩২ কিলোমিটার বিতরণ লাইন
  • 📌 বিদ্যুৎ সরবরাহ সক্ষমতা বৃদ্ধি: ৮০ মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার
  • 📌 গ্রিড সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ২০৩২ সালের মধ্যে ৬৮ শতাংশ
  • 📌 কার্বন নিঃসরণ হ্রাস: বছরে ১৯ হাজার ৩০০ টন সমতুল্য

📰 বিস্তারিত

এডিবির তথ্যমতে, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি পুরোনো অবকাঠামোর সংস্কার করা হবে। এতে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং পরিচালন ব্যয় কমবে।

প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হবে ছয়টি ৩৩/১১ কিলোভোল্ট উপকেন্দ্র, যার মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ সক্ষমতা ৮০ মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া ৫ হাজার ৩২ কিলোমিটার নতুন বিতরণ লাইন নির্মাণ করা হবে। পুরোনো ১ হাজার ৮৭৪ কিলোমিটার বিতরণ লাইন, চারটি উপকেন্দ্র, একটি সুইচিং স্টেশন এবং একটি জোনাল মেরামত কেন্দ্রকে আধুনিকায়ন করা হবে।

এডিবির বাংলাদেশে নিয়োজিত কান্ট্রি ডিরেক্টর কিংফেং ঝাং বলেন, নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ কর্মসংস্থান, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কমিউনিটির দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকার মানুষ নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে।

"নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ কর্মসংস্থান, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কমিউনিটির দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকার মানুষ নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পার্বত্য চট্টগ্রাম (খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান)
  • 👥 প্রধান ব্যক্তি: কিংফেং ঝাং (এডিবির বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৮ হাজার পরিবার, সাড়ে ১৭ কোটি ডলার, ৮০ মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖