📌 ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) তাদের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গবেষণা ও উদ্ভাবনকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল জানান, ডুয়েট ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের উচ্চশিক্ষার একমাত্র পাবলিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) তাদের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হওয়ার অঙ্গীকার করেছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ডুয়েট ডে-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডুয়েটের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত ডুয়েট ডে-২০২৬ অনুষ্ঠানে উপাচার্য গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হওয়ার অঙ্গীকার করেন
- 📌 ডুয়েট দেশের ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের উচ্চশিক্ষার একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে
- 📌 প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাস তুলে ধরে উপাচার্য জানান, ডুয়েট ১৯৮০ সালে কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং হিসেবে যাত্রা শুরু করে এবং ২০০৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে
- 📌 ডুয়েট ডে-২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বৃক্ষরোপণ এবং একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ও ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়
📰 বিস্তারিত
ডুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল জানান, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে অগ্রাধিকার দিয়ে ডুয়েটকে দেশের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলাই তাদের প্রধান অঙ্গীকার। তিনি বলেন, ‘দেশের ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের উচ্চশিক্ষার একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গত দুই যুগ ধরে একাডেমিক উৎকর্ষ ও গবেষণা বিস্তারে ভূমিকা রেখে চলছে ডুয়েট।’
উপাচার্য আরও জানান, যুগোপযোগী টেকসই উন্নয়ন সাধনের মাধ্যমে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ, উদ্ভাবন ও গবেষণাভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ডুয়েটকে দেশের শ্রেষ্ঠতম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বিশ্বদরবারে জ্ঞানে, দক্ষতায় ও মানবতায় অনন্য করে গড়ে তোলাই তাদের প্রধান অঙ্গীকার।’
ডুয়েট ডে-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সকালে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, বেলুন উড্ডয়ন, পায়রা অবমুক্তকরণ ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। পরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে বৃক্ষরোপণ করা হয়।
‘প্রতিবছর ডুয়েট থেকে অসংখ্য শিক্ষার্থী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করছেন। দেশের বিদ্যুৎ-জ্বালানি অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি খাতসহ জাতীয় উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ডুয়েটের গ্র্যাজুয়েটরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেও তাঁরা নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে দেশের সুনাম বয়ে আনছেন।’
উপাচার্য জানান, ডুয়েটের পথচলা শুরু হয়েছিল ১৯৮০ সালে কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং, ঢাকা হিসেবে। ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের উচ্চশিক্ষার দ্বার উন্মোচনের প্রয়াসে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়। ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ১৯৮৬ সালে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি), ঢাকা নামে রূপান্তরিত হয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের ফলে ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে স্বায়ত্তশাসিত বিআইটি, ঢাকা পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর নামে আত্মপ্রকাশ করে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!