📌 সাতক্ষীরার ব্রহ্মরাজপুর শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা মন্ডপে এবার দিয়াশলাইয়ের কাঠি ও রেশমি সুতায় নির্মিত ব্যতিক্রমী দুর্গাপ্রতিমা নির্মাণ করা হচ্ছে। চার শিল্পীর এক মাসের শ্রমে তৈরি এই প্রতিমা দেশের প্রথম প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে
সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা মন্ডপে এবার শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হচ্ছে ব্যতিক্রমী দুর্গাপ্রতিমা। প্রচলিত মাটি ও খড়ের পরিবর্তে দেড় লাখ দিয়াশলাইয়ের কাঠি ও ১০ কেজি রেশমি সুতায় নির্মিত এই প্রতিমা নির্মাণ করছেন চারজন শিল্পী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রহ্মরাজপুর শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা মন্ডপে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম দিয়াশলাইয়ের কাঠি ও রেশমি সুতায় নির্মিত দুর্গাপ্রতিমা
- 📌 প্রতিমা নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে দেড় লাখ দিয়াশলাইয়ের কাঠি ও ১০ কেজি রেশমি সুতা
- 📌 নির্মাণ কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন শিল্পী নবদ্বীপ সরকার, যিনি ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন
- 📌 প্রতিমা তৈরিতে ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং পুরো পূজায় ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫ লাখ টাকা
- 📌 আগুন লাগার সম্ভাবনা এড়াতে প্রতিমায় বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরা জেলার সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা মন্ডপ কর্তৃপক্ষ এবার শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নির্মাণ করছে ব্যতিক্রমী দুর্গাপ্রতিমা। প্রচলিত মাটি ও খড়ের কাঠামোর পরিবর্তে এবার প্রতিমা নির্মাণে ব্যবহৃত হচ্ছে দেড় লাখ দিয়াশলাইয়ের কাঠি ও ১০ কেজি রেশমি সুতা। শিল্পীরা জানান, ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এই ধরনের প্রতিমা নির্মাণ করছেন।
প্রতিমা নির্মাণের কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্থানীয় শিল্পী নবদ্বীপ সরকার। তিনি জানান, তাঁদের দল চারজন মিলে এক মাসের বেশি সময় ধরে এই প্রতিমা নির্মাণ করেছেন। প্রতিমার শরীর জুড়ে দিয়াশলাইয়ের কাঠি দিয়ে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন অলংকার এবং রেশমি সুতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সূক্ষ্ম কারুকাজ।
ব্রহ্মরাজপুর পূজা উদ্যাপন কমিটির সহকারী ক্যাশিয়ার অমিত ঘোষ জানান, গত বছর তাঁরা চিনি ও কানাই ধান দিয়ে প্রতিমা নির্মাণ করেছিলেন। এবার তাঁরা ভিন্ন আঙ্গিকে দিয়াশলাইয়ের কাঠি ও রেশমি সুতায় প্রতিমা নির্মাণ করছেন। তবে দিয়াশলাইয়ের কাঠি দাহ্য পদার্থ হওয়ায় আগুন লাগার সম্ভাবনা থাকতে পারে বলে অনেকে শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। সেই সংশয় দূর করতে প্রতিমায় বিশেষ ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
"দেশে প্রথমবারের মতো দিয়াশলাইয়ের কাঠি ও রেশমি সুতায় প্রতিমা নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি নির্মাণ করতে আমাদের এক মাসের বেশি সময় লেগেছে এবং অনেক পরিশ্রমও করতে হয়েছে।"
ব্রহ্মরাজপুর পূজা উদযাপন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রীতম ঘোষ জানান, আগামী ষষ্ঠী পূজার আগেই এই ব্যতিক্রমী প্রতিমাটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। তিনি জানান, পুরো পূজা আয়োজনে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এই ব্যতিক্রমী আয়োজনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীরা আসবেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রহ্মরাজপুর, সদর উপজেলা, সাতক্ষীরা
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: শিল্পী নবদ্বীপ সরকার
- 🔢 ব্যবহৃত দিয়াশলাইয়ের কাঠির সংখ্যা: দেড় লাখ
- 🔢 ব্যবহৃত রেশমি সুতার পরিমাণ: ১০ কেজি
- 💰 প্রতিমা নির্মাণে ব্যয়: ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!