📌 কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার হানিফ মিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর পড়ছেন। তিনি ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছেন। তার কৌশলগত প্রস্তুতি ও পড়াশোনার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার হানিফ মিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর অধ্যয়নরত। তিনি ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছেন। আইন বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই বিচারক হওয়ার স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। তার কৌশলগত প্রস্তুতি ও পড়াশোনার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান আজকের পত্রিকার সংবাদদাতা আনিসুল ইসলাম নাঈম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান অধিকার**: সিভিল জজ পদে হানিফ মিয়া চতুর্থ হন।
- 📌 **কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা**: জিপিএ-৫ নিয়ে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেন।
- 📌 **ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের স্নাতকোত্তর**: বর্তমানে এলএলএমে অধ্যয়নরত।
- 📌 **১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত পড়াশোনা**: সিলেবাস শেষ করার লক্ষ্যে কঠোর প্রস্তুতি নেন।
- 📌 **সিনিয়রদের গাইডলাইনে অনুশীলন**: মাহারাজ হাসান তামিম ও তানভীর হাসান সহ পড়াশোনায় সহায়তা করেন।
- 📌 **প্রিলিমিনারি পরীক্ষার কৌশল**: সিলেবাস অনুযায়ী পড়াশোনা ও অ্যানালিটিক্যাল ক্যাপাবিলিটি বিকাশের জোর দেন।
- 📌 **লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি**: মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও এলএলবি পড়াশোনার উপর জোর দেন।
📰 বিস্তারিত
হানিফ মিয়া করিমগঞ্জ সরকারি পাইলট মডেল উচ্চবিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি এবং গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে ৩.৬২ সিজিপিএ নিয়ে এলএলবি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলএমে অধ্যয়নরত।
বিজেএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের স্বপ্ন তিনি আইন বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই গড়েছিলেন। তবে ১৯তম বিজেএস পরীক্ষার সার্কুলার প্রকাশের আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হয়ে যায়। ফলে তিনি ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন।
হানিফ মিয়া বলেন, “বিজেএস প্রস্তুতিতে আমি একদম ফ্রেশার হিসেবে শুরু করেছি। তবে আইন বিভাগে ভর্তি হওয়ার সময় থেকেই বিচারক হওয়ার স্বপ্ন দেখছিলাম। আমার বিভাগের মাহারাজ হাসান তামিম ও তানভীর হাসান সহ পড়াশোনায় সহায়তা করেছেন। তারা আমাকে বিভিন্নভাবে গাইডলাইন দিয়েছেন। এছাড়াও মাহি উদ্দিন ভাইয়ের রেকর্ডেড বিজেএস ক্লাসগুলো আমাকে পড়তে দিয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, “প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সিলেবাস অনুযায়ী পড়াশোনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি আইনের বেয়ার অ্যাক্ট টু দ্য পয়েন্টে আয়ত্ত করা এবং অ্যানালিটিক্যাল ক্যাপাবিলিটি বিকাশ করা দরকার। লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতিতে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও এলএলবি পড়াশোনার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আমি ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত পড়াশোনা করেছি, কখনো ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা পড়ার পর থেকেও উঠেছি। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সিলেবাস শেষ করার লক্ষ্যে পড়াশোনা করা। আলহামদুলিল্লাহ, আমি ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান অধিকার করেছি।”
"বিজেএস এক্সাম ছিল আমার সারা জীবনের সকল স্বপ্নের ধারক। তাই পড়াশোনায় কোনো কার্পণ্য করিনি। সাবজেক্ট এবং সিলেবাস টার্গেট করে পড়তাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, করিমগঞ্জ উপজেলা (কিশোরগঞ্জ জেলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হানিফ মিয়া (বিজেএস পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান অধিকারকারী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান, ৩.৬২ সিজিপিএ, ১৬ ঘণ্টা পড়াশোনা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!