📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ কেন এত জনপ্রিয়? কৃষকরা কীভাবে ৩৫ দিনে লাভবান হয়?

মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ কেন এত জনপ্রিয়? কৃষকরা কীভাবে ৩৫ দিনে লাভবান হয়?

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে। শীতকালে দ্রুত বিক্রি হওয়ায় লাভ বেশি পাওয়ায় তারা ৩৫-৪০ দিনে ফসল তুলে নিচ্ছেন। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৭ লাখ টন মুড়িকাটা পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়, যা মোট পেঁয়াজের ৩০ শতাংশ।

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে। এই বিশেষ ধরনের পেঁয়াজের চাষের সময়কাল সংক্ষেপে ফসল তোলা সম্ভব হওয়ায় কৃষকরা দ্রুত লাভবান হতে পারছেন। শীতকালে বাজারে আসা মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষে কৃষকরা ৩৫ থেকে ৪০ দিনের মধ্যে ফসল তুলে নিচ্ছেন এবং পাতাসহ বিক্রি করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পীরগঞ্জের কৃষক মোঃ এনামুল হক ৫০ শতক জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ করেছেন এবং বলেছেন, "অল্প সময়ে ফসল ঘরে আসে এবং লাভও ভালো পাই। তবে কাঁচা অবস্থায় কাটা হয় বলে ১৫ দিনের মধ্যে বিক্রি করতে হয়"।
  • 📌 প্রতি আড়াই শতক জমিতে ৫ মণ পর্যন্ত মুড়িকাটা পেঁয়াজ উৎপাদন করে কৃষক মোঃ ইসমাইল হোসেন। তিনি জানান, রোপণের ৪৫-৬০ দিনের মধ্যে পাতাসহ পেঁয়াজ বিক্রি করা হয় এবং প্রতিটি ছোট পেঁয়াজ থেকে ৪টি পেঁয়াজ উৎপাদন হয়।
  • 📌 পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ বলেছেন, এবারে ২০০০ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। রোপণের ৩৫-৪০ দিনের মধ্যে পাতাসহ পেঁয়াজ মাঠে দেখা যাবে।
  • 📌 ফরিদপুরের মসলা গবেষণা কেন্দ্রের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. আলাউদ্দিন খান বলেছেন, মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এটি শীতকালে আসে এবং বাজারে সরবরাহ ঠিক থাকে।
  • 📌 বাংলাদেশে বার্ষিক প্রায় ৭ লাখ টন মুড়িকাটা পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়, যা মোট পেঁয়াজের ৩০ শতাংশ।

📰 বিস্তারিত

মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষে কৃষকদের আগ্রহের পেছনে রয়েছে দ্রুত লাভের সম্ভাবনা। রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার কৃষক মোঃ এনামুল হক বলেছেন, "অল্প সময়ে ফসল ঘরে আসে। আর লাভও পাই ভালো। সমস্যা হল কাঁচা অবস্থায় কাটা হয় বলে পনের দিনের মধ্যেই এটি বিক্রি করে দিতে হয়।" তিনি জানিয়েছেন, তার এলাকায় ৯০ শতাংশ জমিতে এই সময় মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ করা হয়।

পীরগঞ্জের আরেকজন কৃষক মোঃ ইসমাইল হোসেন বলেছেন, প্রতি আড়াই শতক জমিতে প্রায় পাঁচ মণ পর্যন্ত মুড়িকাটা পেঁয়াজ উৎপাদন করা হয়। তিনি জানান, রোপণের ৪৫-৬০ দিনের মধ্যে পাতাসহ পেঁয়াজ বিক্রি করা হয়। তিনি বলেন, "রোপণের জন্য ছোটো পেঁয়াজ নিয়ে আসি পাবনা কিংবা কুষ্টিয়া থেকে। প্রতিটি ছোট পেঁয়াজ থেকে ৪টি পর্যন্ত পেঁয়াজ উৎপাদন হয়।"

পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ বলেছেন, এবারে উপজেলায় প্রায় ২০০০ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। তিনি জানান, "এবারে এর মধ্যেই রোপণ হয়ে গেছে। আর ৩৫/৪০ দিনের মধ্যে পাতাসহ এই পেঁয়াজের দেখা মিলবে মাঠে। এখানে ছোটো কিন্তু আস্ত পেঁয়াজ রোপণ করা হয়।"

মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষের পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান ফরিদপুরের মসলা গবেষণা কেন্দ্রের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. আলাউদ্দিন খান। তিনি বলেন, "গাছের ওপরের অংশ কেটে ফেলাকেই মুড়িকাটা বলে। প্রথমে পেঁয়াজের গুটি বা সেট পাতাসহ সংগ্রহ করা হয়। এরপর গুটির গলা থেকে ওপরের অংশ কাটা হয়। পরে মুড়িকাটা গুটি থেকে যে পূর্ণ আকারের পেঁয়াজ উৎপাদন হয় সেটিই মুড়িকাটা পেঁয়াজ।"

ডা. খান আরও বলেন, "ফসলটি শীতকালে আসে। সে কারণে ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি এড়াতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষের সময়কাল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাজারে প্রচলিত পেঁয়াজের প্রধান মৌসুমে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ফলে মূল মৌসুম আসার আগেই মুড়িকাটা চাষ করে কৃষক লাভবান হতে পারে।"

"গাছের ওপরের অংশ কেটে ফেলাকেই মুড়িকাটা বলে। প্রথমে পেঁয়াজের গুটি বা সেট পাতাসহ সংগ্রহ করা হয়। এরপর গুটির গলা থেকে ওপরের অংশ কাটা হয়। পরে মুড়িকাটা গুটি থেকে যে পূর্ণ আকারের পেঁয়াজ উৎপাদন হয় সেটিই মুড়িকাটা পেঁয়াজ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা, ফরিদপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: কৃষক মোঃ এনামুল হক, মোঃ ইসমাইল হোসেন, সুমন আহমেদ, ডা. আলাউদ্দিন খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতক জমি, ৫ মণ পেঁয়াজ, ৯০ শতাংশ জমি, ৪৫-৬০ দিন, ৪টি পেঁয়াজ, ২০০০ হেক্টর, ৩৫-৪০ দিন, ৩০ শতাংশ পেঁয়াজ, ৭ লাখ টন মুড়িকাটা পেঁয়াজ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖