📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডলারের আধিপত্য ভাঙতে চীনের কৌশলগত পরিকল্পনা: রেনমিনবির বৈশ্বিক ভূমিকা কীভাবে পরিবর্তন করবে অর্থনৈতিক ভারসাম্য?

ডলারের আধিপত্য ভাঙতে চীনের কৌশলগত পরিকল্পনা: রেনমিনবির বৈশ্বিক ভূমিকা কীভাবে পরিবর্তন করবে অর্থনৈতিক ভারসাম্য?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৯৭১ সালের পর থেকে ডলারের আন্তর্জাতিক আধিপত্য অব্যাহত থাকলেও চীন এখন রেনমিনবিকে একটি প্রতিরোধী মুদ্রা হিসেবে বিকাশের পথে। সি চিন পিংয়ের নির্দেশে চীন ‘শক্তিশালী মুদ্রা’ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে রক্ষা পাবে।

১৯৭১ সালের আন্তর্জাতিক মুদ্রাব্যবস্থার সংকট থেকে শুরু করে ডলারের আধিপত্য বিশ্বের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জন কনেলির বিখ্যাত কথা ‘আমাদের মুদ্রা, কিন্তু সমস্যাটা আপনাদের’ সেই সময়ের উদ্বেগকে প্রতিফলিত করেছিল। ব্রেটন উডস চুক্তির মাধ্যমে ডলারকে বিশ্বের রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হলেও, চীন এখন সেই একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য রেনমিনবির আন্তর্জাতিকীকরণে দ্রুতগতিতে কাজ করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৭১ সালের পর থেকে ডলার বিশ্বের রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু চীন এখন রেনমিনবিকে একটি প্রতিরোধী মুদ্রা হিসেবে বিকাশের পথে।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জন কনেলি ১৯৭১ সালে বলেছিলেন: ‘ডলার আমাদের মুদ্রা, কিন্তু সমস্যাটা আপনাদের’ — যা চীনের জন্য বর্তমান আর্থিক ঝুঁকির প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
  • 📌 সি চিন পিং ২০২৪ সালে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে চীনকে একটি ‘শক্তিশালী মুদ্রা’ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করতে হবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা নিষেধাজ্ঞা থেকে রক্ষা পাবে।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ডলার-অস্ত্র ব্যবহার করে চীনকে অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার ক্ষমতা রয়েছে, যা চীনের রপ্তানি খাতের ২০% জিডিপিকে প্রভাবিত করতে পারে।
  • 📌 চীন রেনমিনবিকে বৈশ্বিক বাণিজ্যের ৩০% অংশে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে, যা ডলারের একচ্ছত্র আধিপত্য ভাঙবে।

📰 বিস্তারিত

ব্রেটন উডস চুক্তির মাধ্যমে ১৯৪৪ সালে ডলারকে বিশ্বের রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও, চীন এখন সেই একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য রেনমিনবির আন্তর্জাতিকীকরণে দ্রুতগতিতে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জন কনেলির বিখ্যাত কথা ‘আমাদের মুদ্রা, কিন্তু সমস্যাটা আপনাদের’ সেই সময়ের উদ্বেগকে প্রতিফলিত করেছিল। ব্রেটন উডস ব্যবস্থার পতন ঘটার পরেও ডলারের আধিপত্য অব্যাহত থাকলেও, চীন এখন রেনমিনবিকে একটি প্রতিরোধী মুদ্রা হিসেবে বিকাশের পথে।

সি চিন পিং ২০২৪ সালের ভাষণে বলেছিলেন যে চীনকে একটি ‘শক্তিশালী মুদ্রা’ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। তিনি নির্দিষ্টভাবে বলেছিলেন যে একটি শক্তিশালী মুদ্রা হলো সেই শক্তির অন্যতম অপরিহার্য ভিত্তি। যুক্তরাষ্ট্রের ডলার-অস্ত্র ব্যবহার করে চীনকে অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার ক্ষমতা রয়েছে, যা চীনের রপ্তানি খাতের ২০% জিডিপিকে প্রভাবিত করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ডলার ইস্যু করে এবং আর্থিক সংকটের সময় ব্যালান্স শিট সম্প্রসারিত করে ব্যবস্থাটিকে টিকিয়ে রাখে।

চীন রেনমিনবিকে বৈশ্বিক বাণিজ্যের ৩০% অংশে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে, যা ডলারের একচ্ছত্র আধিপত্য ভাঙবে। তবে রেনমিনবিকে ডলারের ভূমিকা নিতে হবে এমনকি চীনকে দ্বিমুখী আর্থিক পথ তৈরি করতে হবে, যার মাধ্যমে রেনমিনবির বিদেশি ধারকেরা সেই অর্থ আবার চীনের অর্থনীতিতে বিনিয়োগ করতে পারবে। চীনের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে ডলার হলো একটি অপরিহার্য রাজনৈতিক ঝুঁকি বিমা।

"ডলার আমাদের মুদ্রা, কিন্তু সমস্যাটা আপনাদের"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বেইজিং (চীন), ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: সি চিন পিং, জন কনেলি (যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০% (রপ্তানি খাতের জিডিপি), ৩০% (বৈশ্বিক বাণিজ্যের অংশ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖