📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিদেশে কর্মী পাঠাচ্ছি লাখ লাখ, দক্ষতা কোথায়? কারিগরি শিক্ষার ব্যর্থতার গল্প

বিদেশে কর্মী পাঠাচ্ছি লাখ লাখ, দক্ষতা কোথায়? কারিগরি শিক্ষার ব্যর্থতার গল্প

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার ব্যর্থতা স্পষ্ট। জনশক্তি কর্মসংস্থান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বিদেশগামী কর্মীদের ৮২ শতাংশই অদক্ষ। দক্ষ কর্মী তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও প্রশিক্ষকের অভাব প্রকট।

দুবাইয়ের নির্মাণক্ষেত্রে কাজ করা শফিকের মতো লাখ লাখ বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে গিয়ে শ্রম দিচ্ছেন। কিন্তু তাদের অধিকাংশই রয়েছেন অদক্ষ শ্রমিক হিসেবে। ফিলিপাইনের এক যুবকের তুলনায় তার আয় যেখানে মাসে মাত্র ৩০০ থেকে ৪০০ ডলার, সেখানে ওই যুবকের আয় তার প্রায় পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি। কারণ, ওই যুবক কাজ করেন সুপারভাইজার হিসেবে। অথচ শফিকের কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃত কারিগরি সার্টিফিকেট নেই।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিদেশগামী কর্মীদের মধ্যে প্রায় ৮২ শতাংশই অদক্ষ বা স্বল্পদক্ষ বলে জানিয়েছে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)
  • 📌 দেশের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাব প্রকট
  • 📌 কারিগরি শিক্ষার বাজেটের সিংহভাগ ব্যয় হয় অবকাঠামো নির্মাণে, ল্যাব সরঞ্জাম ও শিক্ষক প্রশিক্ষণে নয়
  • 📌 আন্তর্জাতিক বাজারে দক্ষ কর্মীর চাহিদা থাকলেও বাংলাদেশ থেকে পাঠানো হচ্ছে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও কৃষিশ্রমিক

📰 বিস্তারিত

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে থাকলেও অধিকাংশ কর্মীই রয়েছেন অদক্ষ। বিদেশগামী কর্মীদের মধ্যে প্রায় ৮২ শতাংশের কোনো কারিগরি দক্ষতা বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সার্টিফিকেট নেই। ফলে তারা বিদেশে গিয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী, কৃষিশ্রমিক বা নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন। অথচ একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করা ফিলিপাইনের এক যুবকের আয় যেখানে শফিকের তুলনায় পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি। কারণ, তিনি কাজ করেন সুপারভাইজার হিসেবে।

দেশের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব প্রকট। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে জং ধরা যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হচ্ছে। শিক্ষকদেরও আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় নেই। কারিগরি শিক্ষার বাজেটের সিংহভাগ ব্যয় হয় অবকাঠামো নির্মাণে, ল্যাব সরঞ্জাম ও শিক্ষক প্রশিক্ষণে নয়। ফলে শিক্ষার্থীরা পুরোনো প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ নিয়ে বের হচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মীর চাহিদা থাকলেও বাংলাদেশ থেকে পাঠানো হচ্ছে অদক্ষ শ্রমিক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে না পারলে আগামী দিনে শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও দুর্বল হবে।

"আমরা ভুলে যাচ্ছি, আজকের দুনিয়া শুধু মানুষের সংখ্যা দেখে চাকরি দেয় না, স্কিল বা দক্ষতা দেখে দেয়। জাপান, কোরিয়া বা ইউরোপের বাজারগুলো আমাদের জন্য দরজা খুলে বসে আছে, কিন্তু তারা চায় নার্স, কেয়ারগিভার, অটোমোবাইল মেকানিক কিংবা আইটি এক্সপার্ট। আর আমরা পাঠাচ্ছি পরিচ্ছন্নতাকর্মী আর কৃষিশ্রমিক।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিক, ফিলিপাইনের যুবক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮২ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖