📌 ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে অবতরণের অনুমতি না দিলে বাংলাদেশে অন্যরকম বিপর্যয় সৃষ্টি হত। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সামরিক বিমানে ভারত আসেননি, বরং বিয়োগান্তক ঘটনার পর এসেছিলেন
ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লিতে অবতরণের অনুমতি না দেওয়া হলে বাংলাদেশে একদম অন্যরকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো। তিনি আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬-এর প্রশ্নোত্তর পর্বে এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দীনেশ ত্রিবেদী: শেখ হাসিনার অবতরণ বন্ধ করলে বাংলাদেশে বিপর্যয় ঘটত
- 📌 শেখ হাসিনাকে ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী নিয়ে আসেনি, বাংলাদেশের সামরিক বিমানে এসেছিলেন
- 📌 শেখ হাসিনা ঢাকা ত্যাগ করার সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন
- 📌 ভারত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করে না, সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের স্বাধীন
- 📌 শেখ হাসিনার আগমন বাংলাদেশের বিয়োগান্তক ঘটনার পর ঘটেছিল
📰 বিস্তারিত
গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬-এর প্রশ্নোত্তর পর্বে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না। আমরা যদি তাঁকে অবতরণের অনুমতি না দিতাম, তবে একদম অন্য রকম এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো।’
শেখ হাসিনার ভারত প্রত্যাবর্তন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘হাসিনাজিকে ভারতীয় বিমানবাহিনী বা ভারতের সেনাবাহিনী নিয়ে আসেনি। ওই সময় বাংলাদেশের বিয়োগান্তক ঘটনার কারণে তিনি এসেছিলেন। এমন ঘটনা সংগঠিত হওয়া উচিত ছিল না, যেখানে নিরপরাধ মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। বাংলাদেশের সামরিক বিমানে তাঁকে ভারতে নেওয়া হয়েছিল।’
দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) ঢাকা ত্যাগ করার সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ভারত এই পরিস্থিতিটির জন্য প্রস্তুত ছিল না। আমরা যদি তাঁকে অবতরণের অনুমতি না দিতাম, তবে একদম অন্য রকম এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো।’
দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ, সিদ্ধান্তও তাই স্বাধীনভাবে নেবে। কোন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক করবে, রাখবে, তা একান্তই এ দেশের মানুষের আর সরকারের সিদ্ধান্ত। সত্যিকারের প্রতিবেশী কোনো অভ্যন্তরীণ নীতিতে হস্তক্ষেপ করে না। পরিবারের মধ্যে ভুল–বোঝাবুঝি থাকতেই পারে।’
"বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না। আমরা যদি তাঁকে অবতরণের অনুমতি না দিতাম, তবে একদম অন্য রকম এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, ভারতের হাইকমিশন, বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দীনেশ ত্রিবেদী, শেখ হাসিনা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ দিনব্যাপী সম্মেলন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!