📌 দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি ও পরিচালন খরচ বাড়ার কারণে রেস্তোরাঁ মালিকরা খাবারের দাম বাড়াতে পারছেন না। বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি ৯ দফা দাবি তুলে ধরেছে এবং জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি দাবি করেছে, ৩০ শতাংশ বিক্রি কমে যাওয়ায় ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে
দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি ও পরিচালন খরচের চাপে রেস্তোরাঁ মালিকরা খাবারের দাম বাড়াতে পারছেন না। এদিকে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও হয়রানির মুখে পড়ছেন তারা। বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি ৩ অক্টোবর পল্টনের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে ৯ দফা দাবি তুলে ধরেছে এবং বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সংগঠনের মহাসচিব ইমরান হাসান জানান, খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে গেছে, কিন্তু ক্রেতা কমে যাওয়ার আশঙ্কায় দাম বাড়াতে পারছেন না মালিকরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ শতাংশ বিক্রি কমে যাওয়ার কারণে রেস্তোরাঁ মালিকরা খাবারের দাম বাড়াতে পারছেন না, দাবি করেছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।
- 📌 ৯ দফা দাবি তুলে ধরেছে সংগঠনটি, যার মধ্যে রয়েছে খাবারের দাম সমন্বয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ বন্ধ, সম্পূরক শুল্ক ও উৎসে কর প্রত্যাহার এবং একক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ গঠন।
- 📌 ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু ও ১০ থেকে ১২ ধরনের অনুমোদনের প্রক্রিয়া সরলীকরণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
- 📌 গরুর মাংস আমদানির অনুমতি চেয়েছে সংগঠনটি, কারণ বর্তমানে প্রতি কেজি দাম ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত।
- 📌 হয়রানি বন্ধ ও রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি তুলে ধরেছে মালিক সমিতি।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, খাদ্যপণ্যের দাম যেমন বেড়েছে, তেমনি গ্যাস, বিদ্যুৎ, এলপিজি, পানি, পরিবহন ও শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা খাবারের দাম সমন্বয় করতে পারছেন না। দাম বাড়ালে ক্রেতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে অনেক রেস্তোরাঁ পরিচালন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।
ইমরান হাসান আরও বলেন, রেস্তোরাঁ পরিচালনায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে ১০ থেকে ১২ ধরনের অনুমোদন নিতে হয়। এতে ব্যবসা শুরু ও পরিচালনায় সময় ও ব্যয় বাড়ছে। সংগঠনটি ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালুর দাবি জানিয়েছে। একক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অধীনে সমন্বিত লাইসেন্স ও তদারকি ব্যবস্থা চালু হলে ব্যবসায়ীদের হয়রানি কমবে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সহজ হবে।
সংগঠনটি দাবি করেছে, রেস্তোরাঁ খাতে বিদ্যমান ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও ২ শতাংশ উৎসে কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে হবে। পাশাপাশি ভ্যাট আদায়ের নামে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি বন্ধ এবং অনিবন্ধিত রেস্তোরাঁ ও স্ট্রিট ফুড ব্যবসা ভ্যাটের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে তারা।
"রেস্তোরাঁর খাবারের দাম নির্ধারণে কাঁচামালের ক্রয়মূল্য, শ্রমিকের মজুরি, গ্যাস-বিদ্যুৎ ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় বিবেচনায় নিতে হবে। প্রকৃত ব্যয় যাচাই না করে মূল্য সমন্বয়ের কারণে ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা বা নানামুখী হয়রানি করা বন্ধ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (পল্টন, ঢাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমরান হাসান (মহাসচিব, বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ শতাংশ (বিক্রি কমে যাওয়া), ৯ দফা (দাবি), ১০-১২ (অনুমোদন), ৮০০-১০০০ টাকা (গরুর মাংসের দাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!