📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রেস্তোরাঁ খাতের সংকট: ৯ দফা দাবিতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে মালিক সমিতি

রেস্তোরাঁ খাতের সংকট: ৯ দফা দাবিতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে মালিক সমিতি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি ও পরিচালন খরচ বাড়ার কারণে রেস্তোরাঁ মালিকরা খাবারের দাম বাড়াতে পারছেন না। বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি ৯ দফা দাবি তুলে ধরেছে এবং জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি দাবি করেছে, ৩০ শতাংশ বিক্রি কমে যাওয়ায় ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে

দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি ও পরিচালন খরচের চাপে রেস্তোরাঁ মালিকরা খাবারের দাম বাড়াতে পারছেন না। এদিকে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও হয়রানির মুখে পড়ছেন তারা। বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি ৩ অক্টোবর পল্টনের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে ৯ দফা দাবি তুলে ধরেছে এবং বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সংগঠনের মহাসচিব ইমরান হাসান জানান, খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে গেছে, কিন্তু ক্রেতা কমে যাওয়ার আশঙ্কায় দাম বাড়াতে পারছেন না মালিকরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩০ শতাংশ বিক্রি কমে যাওয়ার কারণে রেস্তোরাঁ মালিকরা খাবারের দাম বাড়াতে পারছেন না, দাবি করেছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।
  • 📌 ৯ দফা দাবি তুলে ধরেছে সংগঠনটি, যার মধ্যে রয়েছে খাবারের দাম সমন্বয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ বন্ধ, সম্পূরক শুল্ক ও উৎসে কর প্রত্যাহার এবং একক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ গঠন।
  • 📌 ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু ও ১০ থেকে ১২ ধরনের অনুমোদনের প্রক্রিয়া সরলীকরণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
  • 📌 গরুর মাংস আমদানির অনুমতি চেয়েছে সংগঠনটি, কারণ বর্তমানে প্রতি কেজি দাম ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত।
  • 📌 হয়রানি বন্ধ ও রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি তুলে ধরেছে মালিক সমিতি।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, খাদ্যপণ্যের দাম যেমন বেড়েছে, তেমনি গ্যাস, বিদ্যুৎ, এলপিজি, পানি, পরিবহন ও শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা খাবারের দাম সমন্বয় করতে পারছেন না। দাম বাড়ালে ক্রেতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে অনেক রেস্তোরাঁ পরিচালন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।

ইমরান হাসান আরও বলেন, রেস্তোরাঁ পরিচালনায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে ১০ থেকে ১২ ধরনের অনুমোদন নিতে হয়। এতে ব্যবসা শুরু ও পরিচালনায় সময় ও ব্যয় বাড়ছে। সংগঠনটি ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালুর দাবি জানিয়েছে। একক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অধীনে সমন্বিত লাইসেন্স ও তদারকি ব্যবস্থা চালু হলে ব্যবসায়ীদের হয়রানি কমবে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সহজ হবে।

সংগঠনটি দাবি করেছে, রেস্তোরাঁ খাতে বিদ্যমান ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও ২ শতাংশ উৎসে কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে হবে। পাশাপাশি ভ্যাট আদায়ের নামে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি বন্ধ এবং অনিবন্ধিত রেস্তোরাঁ ও স্ট্রিট ফুড ব্যবসা ভ্যাটের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে তারা।

"রেস্তোরাঁর খাবারের দাম নির্ধারণে কাঁচামালের ক্রয়মূল্য, শ্রমিকের মজুরি, গ্যাস-বিদ্যুৎ ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় বিবেচনায় নিতে হবে। প্রকৃত ব্যয় যাচাই না করে মূল্য সমন্বয়ের কারণে ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা বা নানামুখী হয়রানি করা বন্ধ করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (পল্টন, ঢাকা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমরান হাসান (মহাসচিব, বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ শতাংশ (বিক্রি কমে যাওয়া), ৯ দফা (দাবি), ১০-১২ (অনুমোদন), ৮০০-১০০০ টাকা (গরুর মাংসের দাম)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖