📌 বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা কটিয়াদীতে বিক্ষোভ মিছিল করে। অন্যদিকে বিএনপি ও সিপিবি আইনের শাসনকে গুরুত্ব দিয়েছে। আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে
বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তারের ঘটনায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা আখতারুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন, যেখানে অন্য দলের নেতারা আইনের শাসনকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিক্ষোভের জোর: জামায়াতের নেতা-কর্মীরা গত শুক্রবার রাতে কটিয়াদীর গচিহাটা বাজারে মিছিল করে আখতারুজ্জামানের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। আজ শনিবার বিকেলে কটিয়াদী উপজেলা শহর ও সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে আরও বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। জেলার ১৩টি উপজেলায় এই কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
- 📌 জামায়াতের দাবি: জামায়াতের আমির মোজাম্মেল হক জোয়াদ্দার বলেছেন, প্রবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আখতারুজ্জামান সেই প্রতিবাদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন বলে তিনি দাবি করেছেন।
- 📌 বিরোধী দলের অবস্থান: বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বলেছেন, আখতারুজ্জামানকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি আইনের স্বতন্ত্র গতিতে চলতে দাবি করেছেন। সিপিবির জেলা সভাপতি আব্দুর রহমানও বলেছেন, বিমানবন্দরের ঘটনায় আইনের মাধ্যমে ফয়সালা হওয়া উচিত।
- 📌 গ্রেপ্তারের পটভূমি: বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলির সংকটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং নিরাপত্তাকর্মীদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার রাতে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পরদিন শুক্রবার বিকেলে তিনি নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন।
📰 বিস্তারিত
বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানির দীর্ঘদিনের অভিযোগের প্রতিবাদে সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কটিয়াদী উপজেলা জামায়াতের আমির মোজাম্মেল হক জোয়াদ্দার প্রথম আলোকে বলেছেন, প্রবাসীরা বিমানবন্দরে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, আখতারুজ্জামান সবার হয়ে এই অনিয়মের প্রতিবাদ করেছেন। জামায়াতের কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ শনিবার বিকেলে কটিয়াদী উপজেলা শহরে এবং সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। জেলার ১৩টি উপজেলায় এই কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যদিকে, বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বলেছেন, আখতারুজ্জামান অনেক সময় উত্তেজনা সৃষ্টি করেন। তিনি বলেন, ‘দেশে এখন আইনের শাসন চলছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। তাঁকেও আইনের আওতায় আনা হয়েছে। আমরা চাই, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলুক।’ সিপিবির জেলা সভাপতি আব্দুর রহমানও বলেছেন, ‘এত উত্তেজনা ভালো নয়। আখতারুজ্জামান অনেক সময় উত্তেজনা সৃষ্টি করেন। বিমানবন্দরের ঘটনায় যা ঘটেছে, তার ফয়সালা আইনের মাধ্যমেই হওয়া উচিত।’
আখতারুজ্জামান ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তিনি একাধিকবার বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।
"প্রবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আখতারুজ্জামান সবার হয়ে বিমানবন্দরে এই অনিয়মের প্রতিবাদ করেছেন।"
"দেশে এখন আইনের শাসন চলছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। তাঁকেও আইনের আওতায় আনা হয়েছে। আমরা চাই, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলুক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কটিয়াদী উপজেলা, কিশোরগঞ্জ জেলা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, মোজাম্মেল হক জোয়াদ্দার, আরিফুল ইসলাম, আব্দুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩টি উপজেলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!