📌 চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ। দেশটির বাজারে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয়েছে ৪০১ কোটি ডলারের পোশাক। তবে জুন মাসে প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ। দেশটির অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল (ওটেক্সা) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৪০১ কোটি ডলারের। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা কম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে জানুয়ারি-জুন সময়ে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ
- 📌 এ সময়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৪০১ কোটি ডলারের পোশাক
- 📌 জুন মাসে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক পোশাক আমদানি কমেছে ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ
- 📌 কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ। ওটেক্সার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৪০১ কোটি ডলারের। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা কম। তবে জুন মাসে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। ওই মাসে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭৬ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার ডলারের পোশাক, যা গত বছরের জুনের তুলনায় ৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক পোশাক আমদানির তথ্যেও পতনের চিত্র দেখা গেছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশটির মোট পোশাক আমদানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় মূল্যের হিসাবে ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ কমেছে। পরিমাণের হিসাবে কমেছে ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক পোশাক আমদানি যেখানে কমেছে, সেখানে বাংলাদেশের পতনের হার তুলনামূলকভাবে কম।
এই বাজার সংকোচনের মধ্যেও কিছু প্রতিযোগী দেশ রপ্তানি বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে কম্বোডিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৩২ শতাংশ। ইন্দোনেশিয়া থেকে বেড়েছে ৩ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং ভিয়েতনাম থেকে ১ দশমিক ০৮ শতাংশ। অন্যদিকে পাকিস্তান থেকে আমদানি কমেছে ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কমেছে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ। ভারতের ক্ষেত্রে পতন হয়েছে ২৫ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং চীনের ৩৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ।
"যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক পোশাক আমদানি যেখানে মূল্যের হিসাবে ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ কমেছে, সেখানে বাংলাদেশ থেকে আমদানি কমেছে তার চেয়ে কম হারে। তবে এই বাজার সংকোচনের মধ্যেও বাংলাদেশের কয়েকটি প্রতিযোগী দেশ রপ্তানি বাড়াতে পেরেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি: মহিউদ্দিন রুবেল (বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা)
- 🔢 রপ্তানি মূল্য: ৪০১ কোটি ডলার
- 🔢 রপ্তানি হ্রাস: ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ
- 🔢 সামগ্রিক আমদানি হ্রাস: ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!