📌 ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গীতে বিদ্যুৎ বিলের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগে গ্রাহকরা এক মিটার রিডারকে পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখেন। গ্রাহকদের দাবি, গত মাসের তুলনায় বিলের হার কয়েক গুণ বেড়েছে। পুলিশ ও বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রিত হয়
ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় এক মাসের ব্যবধানে বিদ্যুৎ বিলের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগে গ্রাহকরা এক মিটার রিডারকে পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখেন। স্থানীয়রা দাবি, গত মাসের তুলনায় বিলের হার কয়েক গুণ বেড়েছে এবং মিটার রিডিং ত্রুটিপূর্ণ। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গীর কালিতলা মধুপুর গ্রামে বিদ্যুৎ বিলের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগে গ্রাহকরা এক মিটার রিডারকে পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখেন।
- 📌 গ্রাহকদের অভিযোগ, গত মাসের তুলনায় বিলের হার কয়েক গুণ বেড়েছে — ২০০ টাকার বিল হঠাৎ ১ হাজার ৯০০ থেকে ৩ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে।
- 📌 গ্রামের বাসিন্দা জয়নাল আলী জানান, মিটারে ৮০ ইউনিট ব্যবহার দেখানো হলেও চলতি মাসে তা এক লাফে ৩৭০ ইউনিট করা হয়েছে।
- 📌 স্থানীয় কর্মকর্তা নির্মল রায় বলেন, আগের মিটার রিডার মাঠে না গিয়ে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে রিডিং দিতেন। নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
- 📌 পুলিশের হস্তক্ষেপে গ্রাহকদের দাবি মেনে মিটার রিডারকে মুক্ত করা হয় এবং অতিরিক্ত বিল সংশোধনের আশ্বাস দেওয়া হয়।
📰 বিস্তারিত
১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের কালিতলা মধুপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বালিয়াডাঙ্গী জোনাল অফিসের মিটার রিডার সবুজ বিলের তথ্য সংগ্রহের জন্য গ্রামে গেলে এক গ্রাহক তাঁকে আটকে রাখেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে শতাধিক বাসিন্দা সেখানে জড়ো হয়ে রিডারকে অবরুদ্ধ করেন।
গ্রাহকদের অভিযোগ, গত মাসের তুলনায় চলতি মাসে বিদ্যুৎ বিলের হার অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ২০০ টাকার বিল এক লাফে ১ হাজার ৯০০ থেকে ৩ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। গ্রামের বাসিন্দা জয়নাল আলী বলেন, 'আগের মাসে মিটারে ৮০ ইউনিট ব্যবহার দেখানো হলেও চলতি মাসে তা এক লাফে ৩৭০ ইউনিট করা হয়েছে। পরিবারে বিদ্যুতের ব্যবহার বা কোনো সরঞ্জাম না বাড়লেও বিলের এমন অস্বাভাবিক লাফের কোনো সদুত্তর অফিস দিতে পারছে না।'
সুলতান আলী নামের আরেক গ্রাহক জানান, ২০০ টাকার বিল হঠাৎ ১ হাজার ৯০০ টাকা আসায় তিনি হতবাক। বারবার অফিসে যোগাযোগ করেও গ্রাহকদের প্রতিকার না পেয়ে উল্টো হয়রানির শিকার হচ্ছেন। স্থানীয়দের দাবি, মিটার রিডাররা নিয়মিত সরেজমিনে না গিয়ে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে রিডিং দেন। পরবর্তীতে সেই ঘাটতি সমন্বয় করতে গিয়ে গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত বিলের বোঝা চাপানো হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ঠাকুরগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বালিয়াডাঙ্গী জোনাল অফিসের এনফোর্সমেন্ট কো-অর্ডিনেটর নির্মল রায় বলেন, 'আগে দায়িত্বে থাকা এক মিটার রিডার মাঠে না গিয়ে ঘরে বসে রিডিং দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে সরিয়ে নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে গ্রাহকদের অতিরিক্ত বিল যাচাই-বাছাই করে সংশোধন ও ত্রুটিপূর্ণ মিটার পরিবর্তনের আশ্বাস দেওয়া হলে তাঁরা মিটার রিডারকে ছেড়ে দেন।'
"আগের মাসে মিটারে ৮০ ইউনিট ব্যবহার দেখানো হলেও চলতি মাসে তা এক লাফে ৩৭০ ইউনিট করা হয়েছে। পরিবারে বিদ্যুতের ব্যবহার বা কোনো সরঞ্জাম না বাড়লেও বিলের এমন অস্বাভাবিক লাফের কোনো সদুত্তর অফিস দিতে পারছে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও জেলা, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা, কালিতলা মধুপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জয়নাল আলী, সুলতান আলী, নির্মল রায়, বুলবুল আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ ঘণ্টা, ২০০ টাকা, ১ হাজার ৯০০ টাকা, ৩ হাজার টাকা, ৮০ ইউনিট, ৩৭০ ইউনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!