📅 ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্রুকলিনে বাংলাদেশি নারী জালিয়াতির দায়ে ৬ বছর ৪ মাস কারাদণ্ড, ৫৬ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত

ব্রুকলিনে বাংলাদেশি নারী জালিয়াতির দায়ে ৬ বছর ৪ মাস কারাদণ্ড, ৫৬ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনে বাংলাদেশি নারী জাকিয়া খান স্বাস্থ্যসেবা খাতে ৬ কোটি ৪ লাখ ডলারের জালিয়াতির দায়ে ৭৬ মাস কারাদণ্ড পেয়েছেন। আদালত তাকে ৫৬ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে এবং সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে বাংলাদেশি নারী জাকিয়া খান স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিশাল আকারের জালিয়াতি ও প্রতারণায় জড়িত থাকার দায়ে ৭৬ মাস কারাদণ্ড পেয়েছেন। স্থানীয় সময় বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মার্কিন ফেডারেল আদালত এই রায় ঘোষণা করে। জাকিয়া খান বাংলাদেশিদের জন্য বৃদ্ধাশ্রম পরিচালনা করতেন এবং তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি স্বাস্থ্য বিমা কর্মসূচি মেডিকেডের অর্থ জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ব্রুকলিনের ডিস্ট্রিক্ট বিচারক নাতাশা সি মার্লে জাকিয়া খানকে ৬ বছর ৪ মাস কারাদণ্ড দিয়েছেন ৬৪ মিলিয়ন ডলারের জালিয়াতির দায়ে
  • 📌 আদালত জাকিয়া খানকে ৫৬ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে এবং মোট ৫০ লাখ ডলার মূল্যের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছে
  • 📌 জাকিয়া খানের মালিকানাধীন দুটি ডে কেয়ার সেন্টার ও একটি হোম হেলথ কেয়ার প্রতিষ্ঠান সরকারি তহবিলের অর্থ জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছিল
  • 📌 প্রতারণার কৌশলে মেডিকেডের কাছ থেকে ৬৪ মিলিয়ন ডলারের ভুয়া বিল জমা দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে ৫৬ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছিল
  • 📌 জাকিয়া খান ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই জালিয়াতি চালিয়েছিলেন এবং দালালদের মাধ্যমে অর্থ পাচারও করেছিলেন

📰 বিস্তারিত

ব্রুকলিনের ডিস্ট্রিক্ট বিচারক নাতাশা সি মার্লে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাকিয়া খানের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলায় রায় ঘোষণা করেন। জাকিয়া খান একজন বাংলাদেশি এবং তিনি ব্রুকলিনের কোনি আইল্যান্ড এলাকায় দুটি বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র এবং একটি হোম হেলথ কেয়ার সেবা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন। আদালতের তথ্য অনুযায়ী, জাকিয়া খান ও তার সহযোগীরা ২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত মেডিকেডের অর্থ জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছিলেন।

তদন্তকারীদের তথ্য মতে, জাকিয়া খানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো সুবিধাবঞ্চিত মেডিকেড গ্রহীতাদের প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া উপস্থিতি পত্রে সই করিয়ে নেওয়া হতো। প্রকৃতপক্ষে কোনো সেবা প্রদান করা হতো না, কিন্তু সরকারি তহবিলের অর্থ দাবি করে ভুয়া বিল জমা দেওয়া হতো। এই চক্রান্তের মাধ্যমে মেডিকেডের কাছ থেকে মোট ৬৪ মিলিয়ন ডলারের ভুয়া বিল জমা দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে ৫৬ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছিল।

জাকিয়া খানের নিজের কার্যালয়ে বসে ঘুষের টাকা বিতরণ করার রেকর্ডও পাওয়া যায়। এই জালিয়াতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি আদালত তাকে ৫৬ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে এবং মোট ৫০ লাখ ডলার মূল্যের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছে।

"আজকের এই রায় আমাদের বিচার বিভাগ থেকে প্রতারকদের প্রতি এক কঠোর সতর্কবার্তা। আমেরিকার করদাতাদের অর্থ আত্মসাৎকারী যেকোনো দুর্নীতিবাজ স্বাস্থ্যসেবা পরিচালকের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর আইনগত ব্যবস্থা বজায় রাখব।"

— ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব নিউইয়র্কের ভারপ্রাপ্ত ইউএস অ্যাটর্নি জোসেফ নোসেলা জুনিয়র

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ব্রুকলিন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাকিয়া খান (বাংলাদেশি নারী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৪ মিলিয়ন ডলার জালিয়াতি, ৭৬ মাস কারাদণ্ড, ৫৬ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ, ৫০ লাখ ডলার সম্পদ বাজেয়াপ্ত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖