📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টাঙ্গাইলের শামীম আল মামুনের কোয়েল খামার থেকে মাসিক তিন লাখ টাকা আয়

টাঙ্গাইলের শামীম আল মামুনের কোয়েল খামার থেকে মাসিক তিন লাখ টাকা আয়

📷 ছবি: বাসস

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BSS ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার শামীম আল মামুন প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে কোয়েল পাখির খামার প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে তার মাসিক আয় তিন লাখ টাকা। কঠিন পরিশ্রম ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তিনি খামারকে সফল উদ্যোগে পরিণত করেছেন

টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার উদ্যোক্তা শামীম আল মামুন প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে কোয়েল পাখির খামার প্রতিষ্ঠা করে মাসিক তিন লাখ টাকা আয় করছেন। ইউটিউব ও ফেসবুকে কোয়েল খামার নিয়ে ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এই ব্যবসায় নামেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার শামীম আল মামুন প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে কোয়েল পাখির খামার প্রতিষ্ঠা করেন
  • 📌 বর্তমানে তার মাসিক আয় তিন লাখ টাকা
  • 📌 খামারে কর্মরত রয়েছেন পাঁচজন কর্মী
  • 📌 খামারে রয়েছে প্রায় ১৬ হাজার প্রজননক্ষম মা কোয়েল
  • 📌 প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ হাজার হ্যাচিং ডিম সংগ্রহ করা হয়

📰 বিস্তারিত

টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার কচুয়া গ্রামের উদ্যোক্তা শামীম আল মামুন প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে কোয়েল পাখির খামার প্রতিষ্ঠা করে সফলতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ইউটিউব ও ফেসবুকে কোয়েল খামার নিয়ে ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এই ব্যবসায় নামেন। বর্তমানে তার মাসিক আয় তিন লাখ টাকা।

২০০৫ সালে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমান শামীম। সেখানে একটি পানির কারখানায় কাজ করতেন তিনি। একদিন কাজ শেষে টেলিভিশনে শাইখ সিরাজের উপস্থাপনায় একটি কোয়েল খামারের প্রতিবেদন দেখে তার মনে খামার গড়ে তোলার স্বপ্ন জেগে ওঠে। ২০১১ সালে ছয় বছরের প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে তিনি বগুড়ায় গিয়ে অভিজ্ঞ খামারিদের কাছ থেকে হাতে-কলমে কোয়েল পাখি পালনের ওপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

২০১২ সালে বাড়ি সংলগ্ন ২০ শতাংশ জমিতে তিনি প্রথমে ৫০০টি কোয়েলের বাচ্চা নিয়ে ‘সোনার বাংলা সোনালী অ্যান্ড কোয়েল হ্যাচারি’ নামে খামারের কার্যক্রম শুরু করেন। তার স্ত্রী তাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন। কঠিন পরিশ্রম ও সঠিক ব্যবস্থাপনায় মাত্র তিন বছরের মধ্যেই খামারে কোয়েলের সংখ্যা ১২ হাজারে পৌঁছে যায়।

বর্তমানে তার খামারে প্রায় ১৬ হাজার প্রজননক্ষম মা কোয়েল রয়েছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ হাজার হ্যাচিং ডিম সংগ্রহ করা হয়। এসব ডিম ১৭ দিন ইনকিউবেটরে রাখার পর বাচ্চা ফোটানো হয়। প্রতি মাসে প্রায় দুই লাখ কোয়েলের বাচ্চা দেশের বিভিন্ন জেলার খামারিদের কাছে সরবরাহ করেন তিনি। প্রতিটি বাচ্চা সাত থেকে আট টাকা দরে বিক্রি করা হয় এবং প্রতিটিতে দুই থেকে তিন টাকা লাভ থাকে শামীমের।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সখিপুর, টাঙ্গাইল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শামীম আল মামুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মাসিক আয় তিন লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖