📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টাঙ্গাইল থেকে এক কোটি টাকার বরই ব্যবসায়ে রূপান্তর: এক রাখালের জীবনগাথা

টাঙ্গাইল থেকে এক কোটি টাকার বরই ব্যবসায়ে রূপান্তর: এক রাখালের জীবনগাথা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টাঙ্গাইলের সখীপুরের মোসলেম উদ্দিন এক রাখাল থেকে বরই ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছেন। বর্তমানে তিনি ৫০ একর জমিতে টক বরই চাষ করে বছরে এক কোটি টাকার বরই বিক্রি করে ৩০ লাখ টাকা লাভ করছেন। বরই ব্যবসায়ে কর্মসংস্থানও সৃষ্টি করেছেন

টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক রাখালের জীবন পাল্টে দিয়েছে টক বরই ব্যবসা। মোসলেম উদ্দিনের জীবনযাত্রা থেকে শুরু করে পরিবারের সাফল্য পর্যন্ত বরইয়ের বাগানই দায়িত্বে। একসময় অন্যের বাড়িতে রাখালের কাজ করতেন তিনি। বর্তমানে ৫০ একর জমিতে টক বরই চাষ করে বছরে এক কোটি টাকার বরই বিক্রি করে ৩০ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন মোসলেম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৫০ একর জমিতে টক বরই চাষ**: টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোসলেম উদ্দিনের বরইয়ের বাগান ৫০ একর জুড়ে বিস্তৃত। এতে আগাম জাতের টক বরই চাষ করা হয়।
  • 📌 **বছরে এক কোটি টাকার বরই বিক্রি**: বর্তমান মৌসুমে মোসলেমের আশা, এক কোটি টাকার বরই বিক্রি করে ৩০ লাখ টাকা লাভ হবে।
  • 📌 **কর্মসংস্থান সৃষ্টি**: বরইয়ের বাগানে স্থায়ীভাবে ১৫ জন এবং মৌসুমে ৭০-৮০ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
  • 📌 **জীবনযাত্রার পরিবর্তন**: এক রাখাল থেকে তিনতলা বাড়ির মালিক হয়ে উঠেছেন মোসলেম। তার ছেলে মালয়েশিয়ায় পড়াশোনা করছেন।
  • 📌 **প্রতিদিন ৭২-৯৬ হাজার টাকার বিক্রি**: বর্তমান মৌসুমে প্রতিদিন ৮-১০ বস্তা বরই বিক্রি হয়, প্রতিটি বস্তায় ৬০ কেজি বরই থাকে। প্রতি কেজি বরই বিক্রি হয় ১৫০-১৬০ টাকা।

📰 বিস্তারিত

মোসলেম উদ্দিনের জীবনযাত্রার শুরু ছিল খুবই কঠিন। ছোটবেলায় তিনি মানুষের বাড়িতে রাখালের কাজ করতেন। দারিদ্র্যের কারণে লেখাপড়া করতে পারেননি। ১৯৯৭ সালে বিয়ে করার পর তিনি বাড়ি বাড়ি ঘুরে আচার ও বাদাম বিক্রি শুরু করেন। তখন বাড়িতে ছিল দোচালা ছনের ঘর। তার স্বপ্ন ছিল একদিন টিনের ঘর করা। কিন্তু বর্তমানে তিনি তিনতলা বাড়ির মালিক হয়ে উঠেছেন।

মোসলেমের জীবন পাল্টে দেয় বরই ব্যবসা। ২০১০ সালে তিনি ছয় একর জমি ইজারা নিয়ে লেবুর চাষ শুরু করেন। সাফল্য পাওয়ার পর তিনি বরই চাষের দিকে মনোনিবেশ করেন। প্রথমে ১০ একর জমিতে এবং পরে ৪০ একর জমি ইজারা নিয়ে বরই চাষ শুরু করেন। এখন তার বরইয়ের বাগান প্রায় ৫০ একর জুড়ে বিস্তৃত।

বরইয়ের বাগান থেকে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ বস্তা বরই ঢাকার কারওয়ান বাজার ও শ্যামবাজারের পাইকারি আড়তে পাঠানো হয়। প্রতিটি বস্তায় ৬০ কেজি বরই থাকে। প্রতি কেজি বরই বিক্রি হয় ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। বর্তমান মৌসুমে প্রতিদিন ৭২ হাজার থেকে ৯৬ হাজার টাকার বরই বিক্রি হয়। ভরা মৌসুমে (নভেম্বর-ডিসেম্বর) প্রতিদিন এক থেকে দেড় লাখ টাকার বরই বিক্রি হয়।

মোসলেমের বরইয়ের বাগান শুধু তার জীবন পাল্টায়নি, কর্মসংস্থানও সৃষ্টি করেছে। বাগানে সারা বছর স্থায়ীভাবে ১৫ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থান রয়েছে। বরই পাড়ার মৌসুমে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ জন শ্রমিক কাজ করেন। বরইয়ের বড় ক্রেতা হলো বিভিন্ন খাদ্যপণ্য ও প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান।

"গত মৌসুমে পরিস্থিতি অনুকূলে ছিল না। বরইগাছে ফুল আসার সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় ফলন কমে যায়। গত বছর প্রায় ৫০ লাখ টাকার বরই বিক্রি করলেও জমির ইজারা, শ্রমিক ও অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে লাভ ছিল মাত্র ছয়-সাত লাখ টাকা। তবে এবার এক কোটি টাকার বরই বিক্রি হলে অন্তত ৩০ লাখ টাকা লাভ থাকবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইলের সখীপুর, গজারিয়া ইউনিয়ন, ধুমখালী এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোসলেম উদ্দিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ একর জমি, ৩০ লাখ টাকা লাভ, ১৫ জন স্থায়ী শ্রমিক, ৭০-৮০ জন মৌসুমী শ্রমিক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖