📌 ৩০ বছরের গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি ডিসেম্বর শেষে শেষ হবে। বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক চিঠি দিলেও ভারত এখনো সাড়া দেয়নি। কূটনীতিকরা বলছেন, এই চুক্তি নবায়নের বিষয়টি ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়াতে পারে
৩০ বছরের গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি ডিসেম্বর মাসের শেষে শেষ হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্কের নতুন পরীক্ষার মুখে ফেলেছে এই চুক্তি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, চুক্তি নবায়নের জন্য ঢাকা গত জুনে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছে নয়াদিল্লিকে। কিন্তু ভারত এখনো কোনো সাড়া দেয়নি। এই নীরবতা ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের ভবিষ্যতকে অজস্র জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কূটনীতিকরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩০ বছরের গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি** ডিসেম্বর শেষে শেষ হবে, কিন্তু ভারত এখনো চুক্তি নবায়নের কোনো সাড়া দেয়নি
- 📌 **ঢাকা গত জুনে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছে**, কিন্তু ভারতের নীরবতা ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের নতুন পরীক্ষা সৃষ্টি করেছে
- 📌 **কূটনীতিকরা বলছেন**, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই চুক্তি নবায়নের বিষয়টি ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়াতে পারে
- 📌 **সাবেক রাষ্ট্রদূত মেহেদী হাসান** বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পানির চাহিদার পরিবর্তনের কারণে পুরো অববাহিকা ধরে পরিকল্পনা করা প্রয়োজন
- 📌 **পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির** ও বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ স্পষ্ট করেছেন, ভারতের সঙ্গে নতুন সম্পর্কের সমীকরণ তৈরি করতে চায় ঢাকা
📰 বিস্তারিত
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরশীল সূত্র জানিয়েছে, গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি নবায়নের জন্য ঢাকা গত জুন মাসেই আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছে ভারতের কাছে। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও ভারত এখনো কোনো সাড়া দেয়নি। এই নীরবতা ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের নতুন পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, চুক্তিটি চূড়ান্ত করার আগে দুটি দেশের টেবিলে বসা জরুরি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কূটনীতিক বলেছেন, ২০২৪ সালের পর দুই দেশের মধ্যে কূটনীতিক সম্পর্কের পুরোটা বরফ গলেনি। তবে তারেক রহমানের সরকারের সঙ্গে নতুন করে কাজ করতে ভারত আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশও চায় নিজেদের অধিকার এবং প্রধান্যের জায়গা ঠিক রেখে সম্পর্ক নতুন করে শুরু করা।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মেহেদী হাসান বলেছেন, ২০১১ সালের ‘ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট অন কোঅপারেশন ফর ডেভেলপমেন্ট’-এ নদী অববাহিকাভিত্তিক সমন্বিত ব্যবস্থাপনার কথা বলা হয়েছিল। গত ৩০ বছরে জলবায়ু পরিবর্তন ও পানির চাহিদায় বড় পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, শুধু একটি নির্দিষ্ট পয়েন্টে পানি ভাগাভাগি না করে পুরো অববাহিকা ধরে পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। নতুন সমঝোতায় পৌঁছানোর আগে পর্যন্ত বর্তমান চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই চুক্তি নবায়নের বিষয়টি ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের একটি বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ভারতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন ও বিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
"এ বিষয়ে দ্রুত আলোচনা শুরু হওয়া উচিত। জলবায়ু পরিবর্তন ও পানির চাহিদার পরিবর্তনের কারণে পুরো অববাহিকা ধরে পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (বাংলাদেশ), নয়াদিল্লি (ভারত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেহেদী হাসান, তারেক রহমান, হুমায়ুন কবির, এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, কূটনীতিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!