📌 পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় জাহাজ নির্মাণ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। পরিবেশ সুরক্ষা, শ্রমিক নিরাপত্তা ও টেকসই অর্থনীতির দিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত দুটি সভায় জাহাজ নির্মাণ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও টেকসই খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে দুটি পৃথক সভায় জাহাজ নির্মাণ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের টেকসই উন্নয়নে আলোচনা হয়
- 📌 সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান
- 📌 জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের অর্থনৈতিক গুরুত্ব, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশীয় ইস্পাত শিল্পে কাঁচামাল সরবরাহের বিষয়টি তুলে ধরা হয়
- 📌 আন্তর্জাতিক পরিবেশ ও নিরাপত্তা মান অনুসরণ, ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়
- 📌 জাহাজ নির্মাণ শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা হিসেবে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, শ্রম ব্যয় ও কারিগরি সক্ষমতাকে চিহ্নিত করা হয়
📰 বিস্তারিত
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে দুটি পৃথক সভায় জাহাজ নির্মাণ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও টেকসই খাতে উন্নীত করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।
সভা দুটিতে জাহাজ নির্মাণ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের বিদ্যমান আইন, বিধি ও নীতিমালা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে আলোচনা হয়। জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প বিষয়ক উপস্থাপনায় বাংলাদেশে এই খাতের অর্থনৈতিক গুরুত্ব, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশীয় ইস্পাত শিল্পে কাঁচামাল সরবরাহ এবং সার্কুলার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিবেশ ও নিরাপত্তা মান অনুসরণ, ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা, বর্জ্যপানি শোধন, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, মাটি পুনরুদ্ধার এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
জাহাজ নির্মাণ শিল্প বিষয়ক উপস্থাপনায় বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, তুলনামূলক শ্রম ব্যয়, কারিগরি সক্ষমতা, অভ্যন্তরীণ বাজার এবং রফতানির সম্ভাবনাকে এ খাতের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আধুনিক ড্রাইডক, মডুলার শিপ বিল্ডিং, রফতানিমুখী শিপইয়ার্ড, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
"জাহাজ নির্মাণ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের টেকসই উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দফতর, সংস্থা ও বেসরকারি খাতের মধ্যে শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় প্রয়োজন। বিদ্যমান সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত সুপারিশ প্রণয়ন এবং আন্তর্জাতিক মান অনুসরণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সচিবালয়, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল আউয়াল মিন্টু, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, মো. রাজিব আহসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (সভা সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!