📌 আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মজুতদারি ও বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, ১৯৭৪ সালের আইনে মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। শনিবার ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পাট ও পেঁয়াজের হাট পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন
ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পাট ও পেঁয়াজের পাইকারি হাট ও আড়ৎ পরিদর্শনকালে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মজুতদারি ও বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, সরকার সব সেক্টরের সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষকদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে কাজ করবে।
🔴 আইনের কঠোর প্রয়োগের ঘোষণা
- 📌 ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
- 📌 তিনি বলেন, যারা মজুতদারি করবেন তারা যেন ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নেন।
- 📌 আইনমন্ত্রী আরো জানান, সব হাট ও বাজারে নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
- 📌 তিনি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা তোলা না পেলে মালামাল কিনবেন না বলে হুমকি দিচ্ছেন, তারা বাজার ছেড়ে চলে যেতে পারেন।
📰 কৃষকদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে সরকারের পদক্ষেপ
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বাজারের সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষকরা যাতে লাভবান হন, সেদিকে সরকার কাজ করবে। তিনি উল্লেখ করেন, কৃষকরা ঘাম ঝরিয়ে ফসল ফলালেও বাজারে আসার পর সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্য দাম পান না। এক মণ পাট বা পেঁয়াজে অতিরিক্ত ২ কেজি তোলা দিতে হতো। পরে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও হিজড়ারা আরও তোলা নিয়ে যেতেন। ফলে দেখা গেছে, এক মণে কৃষক দিচ্ছেন ৪৫ কেজি।
তিনি বলেন, এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ইতোমধ্যেই সব হাট ও বাজারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
"বাজারের এই সিন্ডিকেট আমরা ভেঙে দেব। এরই মধ্যে সব হাট ও বাজারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যেসব ব্যবসায়ী তোলা না পেলে মালামাল কিনবেন না বলে হুমকি দিচ্ছেন, তাদের বলব, বাজার ছেড়ে চলে যান। বিকল্প ব্যবসায়ী এমনিতেই তৈরি হয়ে যাবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ কেজি, ৪৫ কেজি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!