📌 দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে ক্ষমা চেয়েছিল, কিন্তু উত্তর কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে প্রতিবাদ জানায়। ৭০০ কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রটি পূর্ব সাগরে পড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার তিন সেনা আহত হয়েছিলেন গত সেপ্টেম্বরে মাইন বিস্ফোরণে, যা উত্তর কোরিয়া দায় অস্বীকার করেছে
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমা প্রার্থনা প্রত্যাখ্যানের প্রতিবাদে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে ক্ষমা চেয়েছিল, কিন্তু পিয়ংইয়ং ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে উত্তেজনাময় প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলীয় ওনসান এলাকা থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭০০ কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিয়ে পূর্ব সাগরে পড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি পূর্ব সাগরের দিকে (জাপান সাগর) ছোড়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে ক্ষমা চেয়েছিল, উত্তর কোরিয়া প্রত্যাখ্যান করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে
- 📌 ৭০০ কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রটি পূর্ব সাগরে পড়েছে
- 📌 গত ২১ সেপ্টেম্বর সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে দক্ষিণ কোরিয়ার তিন সেনা আহত হয়েছিলেন
- 📌 উত্তর কোরিয়া দায় অস্বীকার করেছে, দক্ষিণ কোরিয়া মাইন পুঁতে রাখার দায় পিয়ংইয়ংয়ের উপর আরোপ করেছে
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, মাইনগুলো উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত সুরক্ষা জোরদানের অংশ
- 📌 কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘ঘৃণ্য’ বলে আখ্যা দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে ক্ষমা চেয়েছিল, কিন্তু উত্তর কোরিয়া প্রত্যাখ্যানের প্রতিবাদে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, শনিবার (৩ অক্টোবর) উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলীয় ওনসান এলাকা থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭০০ কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিয়ে পূর্ব সাগরে পড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি পূর্ব সাগরের দিকে (জাপান সাগর) ছোড়া হয়েছে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে দক্ষিণ কোরিয়ার তিন সেনা আহত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন গুরুতর আহত হয়েছিলেন। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন জাতিসংঘ কমান্ডের যৌথ তদন্তে বিস্ফোরণের জন্য উত্তর কোরিয়ার পুঁতে রাখা মাইনকে দায়ী করা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া দাবি করেছে, সীমান্তের দক্ষিণ পাশে উত্তর কোরিয়ার সেনাদের পুঁতে রাখা মাইনের কারণেই বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনাকে ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে উত্তর কোরিয়ার কাছে ক্ষমা চেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাং শিন-চুলের ভাষ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের জন্য দায়ী মাইনগুলো উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত সুরক্ষা জোরদারের কাজের অংশ হিসেবে পোঁতা হয়ে থাকতে পারে। ২০২৪ সালে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন দক্ষিণ কোরিয়াকে তার দেশের ‘প্রধান শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকে সীমান্ত পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করার উদ্যোগ নেয় পিয়ংইয়ং। এর অংশ হিসেবে উত্তর কোরিয়ার সেনারা সীমান্ত এলাকায় মাইন পুঁতেছে ও ট্যাংক চলাচল ঠেকাতে প্রতিবন্ধক নির্মাণ করেছে।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘ঘৃণ্য’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। একই সঙ্গে মাইন বিস্ফোরণের সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ কোরিয়ার কূটনৈতিক উদ্যোগের জবাবে শক্তি প্রদর্শনের অংশ হিসেবে উত্তর কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্রটি ছুড়েছে। এর মধ্য দিয়ে কার্যত সিউলের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে পিয়ংইয়ং।
"সীমান্তের দক্ষিণ পাশে উত্তর কোরিয়ার পুঁতে রাখা মাইনের কারণেই বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনাকে ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে উত্তর কোরিয়ার কাছে ক্ষমা চেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলীয় ওনসান এলাকা, দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত, পূর্ব সাগর (জাপান সাগর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিম জং উন, কিম ইয়ো জং, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাং শিন-চুল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০০ কিলোমিটার (ক্ষেপণাস্ত্রের দূরত্ব), ৩ জন (দক্ষিণ কোরিয়ার আহত সেনা), ২১ সেপ্টেম্বর (মাইন বিস্ফোরণের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!