📅 ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শান্তা কবীরের হাত ধরে বিদেশেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘আজুরা’ ব্র্যান্ড

শান্তা কবীরের হাত ধরে বিদেশেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘আজুরা’ ব্র্যান্ড

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শান্তা কবীরের উদ্যোগে গড়ে ওঠা পোশাক ব্র্যান্ড ‘আজুরা’ এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। চীনের মতো দেশেও এর ক্রেতা রয়েছে। মূলত দেশীয় কাপড় ও ভেজিটেবল ডাইয়ের পোশাক তৈরিতে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছে ব্র্যান্ডটি।

ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা শান্তা কবীরের উদ্যোগে গড়ে ওঠা পোশাক ব্র্যান্ড ‘আজুরা’ এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত একটি মেলায় অংশ নিয়ে সেখানকার নাগরিকদের মন জয় করেছে ব্র্যান্ডটি। ফলে নিয়মিত ক্রেতায় পরিণত হয়েছে তারা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ‘আজুরা’ ব্র্যান্ডের পোশাকগুলো দেশীয় কাপড় ও ভেজিটেবল ডাই দিয়ে তৈরি হয়
  • 📌 ব্র্যান্ডটির পোশাকগুলো সব ধরনের গড়নের উপযোগী করে নকশা করা হয়
  • 📌 চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত মেলায় অংশ নিয়ে স্থানীয় ক্রেতাদের মন জয় করে ‘আজুরা’
  • 📌 ঢাকার একটি মিশনারি স্কুলের চ্যারিটি মেলায় অংশ নিতে গিয়ে শুরু হয়েছিল ব্র্যান্ডটির যাত্রা

📰 বিস্তারিত

শান্তা কবীরের তিন সন্তান ঢাকার একটি মিশনারি স্কুলে পড়াশোনা করতেন। সেই স্কুলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিশেষ শিক্ষাব্যবস্থা চালু ছিল। তাদের পড়াশোনার খরচের একটি অংশ স্কুলের চ্যারিটি ফান্ড থেকে সরবরাহ করা হতো। ফান্ড সংগ্রহের জন্য নিয়মিত আয়োজন করা হতো বিভিন্ন অনুষ্ঠান। সেই আয়োজনে নিজের নকশা করা পোশাক বিক্রি করতেন শান্তা কবীর। তাঁর তৈরি পোশাকগুলো অল্প সময়ের মধ্যেই বিক্রি হয়ে যেত। বিক্রির অর্থ জমা হতো চ্যারিটি ফান্ডে।

এভাবে স্কুলের অভিভাবকদের মধ্যেও তাঁর পোশাকের পরিচিতি বৃদ্ধি পায়। একসময় তাঁদের কাছ থেকেই নিয়মিত অর্ডার আসতে শুরু করে। এভাবেই ধীরে ধীরে শুরু হয় ‘আজুরা’ ব্র্যান্ডের যাত্রা। ব্র্যান্ডটি মূলত ভেজিটেবল ডাইয়ের পোশাক ও দেশীয় কাপড় নিয়ে কাজ করে।

ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার কারণে কিছু সময়ের জন্য বিরতি নেন শান্তা কবীর। সন্তানদের বড় হওয়ার পর আবার নিজের শখের কাজে মনোনিবেশ করেন তিনি। বিভিন্ন মেলা ও প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনেও চালিয়ে যান তাঁর ব্যবসা।

২০২৩ সালে একটি প্রদর্শনীতে অংশ নিতে গিয়ে জানতে পারেন, মিরপুর সাড়ে ১১-এর রংধনু মার্কেটে একটি দোকান বিক্রি হবে। নিজেও মিরপুরের বাসিন্দা হওয়ায় সেখানে একটি স্পেস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ছোট্ট সেই আউটলেটে নতুনভাবে শুরু হয় ‘আজুরা’র অফলাইন যাত্রা।

"আজুরার পোশাকগুলো এমন কাটে তৈরি হয় যে হালকা-পাতলা থেকে ভারী—সব গড়নেই মানানসই।" — শান্তা কবীর

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, চীন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শান্তা কবীর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন (সন্তানের সংখ্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖