📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে চেয়ার দখল নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপাচার্যের নির্দেশে গঠিত কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন কৃষি অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চেয়ার দখলকে কেন্দ্র করে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পালটা ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আব্দুল আলিম এ তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে চেয়ার দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে
- 📌 তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে — প্রধান হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম
- 📌 ঘটনায় রসায়ন বিভাগের চার শিক্ষার্থী আহত হন এবং তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়
- 📌 উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল আলিম জানান, দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে
📰 বিস্তারিত
বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে চেয়ার দখলকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। পরে নবাব আবদুল লতিফ হলের পেছনে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দফায় দফায় সংঘর্ষে দুই বিভাগের অ্যাকাডেমিক ভবনেও হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় রসায়ন বিভাগের অন্তত চার শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া হয়, পরে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল আলিম জানান, বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
তদন্ত কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন কৃষি অনুষদের সাবেক ডিন ও ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন দর্শন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম এবং আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সাহাল উদ্দিন।
‘আমরা বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি। বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য রামেকে পাঠানো হয়েছে। যারা দোষী তাদেরকে অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনা হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক আব্দুল আলিম, অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (তদন্ত কমিটির সদস্য), ৪ (আহত শিক্ষার্থী), ২৭ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!