📅 ২৭ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বেসরকারি নিরাপত্তা কর্মীদের জীবনযাপন: দৈনিক ১৬ ঘণ্টা কাজেও চলে না সংসার

বেসরকারি নিরাপত্তা কর্মীদের জীবনযাপন: দৈনিক ১৬ ঘণ্টা কাজেও চলে না সংসার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বেসরকারি নিরাপত্তা কর্মীদের দৈনিক ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা কাজ করতে হয়, মাসিক আয় মাত্র ৯ থেকে ১৬ হাজার টাকা। শ্রম বিধিমালা না মানা, নিবন্ধনহীন প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি তদারকির অভাব তাদের জীবনকে আরও অনিরাপদ করে তুলেছে

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শেখেরটেক এলাকায় একটি বেসরকারি ব্যাংকের এটিএম বুথে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কর্মরত অহিদুল ইসলাম (৫৮)। তাঁর মাসিক মূল বেতন মাত্র ৯ হাজার ৩৩৩ টাকা। অতিরিক্ত সময় কাজ করলে আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ থেকে ১৬ হাজার টাকায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ব্যাংকের প্রায় ১৬ হাজার শাখা ও ১০ হাজার এটিএম বুথ রয়েছে। এসব স্থানে নিয়োজিত অধিকাংশ নিরাপত্তাকর্মীই বিভিন্ন বেসরকারি নিরাপত্তা কোম্পানির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত। ব্যাংক ছাড়াও অফিস, শিল্পকারখানা, বাণিজ্যিক ভবন ও কূটনৈতিক মিশনেও এদের উপস্থিতি দেখা যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজধানীর ব্যাংক এটিএম বুথে কর্মরত অহিদুল ইসলামের মাসিক মূল বেতন ৯ হাজার ৩৩৩ টাকা
  • 📌 অতিরিক্ত সময় কাজ করলে মাসিক আয় দাঁড়ায় ১৪ থেকে ১৬ হাজার টাকা
  • 📌 দেশে ব্যাংকের প্রায় ১৬ হাজার শাখা ও ১০ হাজার এটিএম বুথে নিরাপত্তাকর্মী নিয়োজিত
  • 📌 দেশে প্রায় পাঁচ লাখ নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট সংগঠন
  • 📌 নিরাপত্তাকর্মীদের দৈনিক কর্মঘণ্টা ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা, সাপ্তাহিক ছুটি নেই
  • 📌 শ্রম বিধিমালা অনুসারে নির্ধারিত নিম্নতম মজুরি ৯ হাজার ৮০০ টাকা হলেও অধিকাংশ কর্মী তা পান না
  • 📌 বেসরকারি নিরাপত্তা কোম্পানিগুলোর নিবন্ধন ও তদারকির অভাব প্রকট

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ব্যাংকের প্রায় ১৬ হাজার শাখা ও ১০ হাজার এটিএম বুথ রয়েছে। এসব স্থানে নিয়োজিত অধিকাংশ নিরাপত্তাকর্মীই বিভিন্ন বেসরকারি নিরাপত্তা কোম্পানির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত। ব্যাংক ছাড়াও অফিস, শিল্পকারখানা, বাণিজ্যিক ভবন ও কূটনৈতিক মিশনেও এদের উপস্থিতি দেখা যায়। তবে এসব কর্মীর সংখ্যার সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না। বাংলাদেশ প্রাইভেট সিকিউরিটি সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএসএসপিএ) দাবি করেছে, দেশে প্রায় পাঁচ লাখ নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন।

নিরাপত্তাকর্মীদের প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে কম বেতন, দৈনিক ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা কাজ, সাপ্তাহিক ছুটি না থাকা, দেরিতে বেতন পাওয়া এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তাহীনতা। বেশিরভাগ কর্মীই তাঁদের পরিবারকে গ্রামে রেখে রাজধানীতে কাজ করেন। ইসরাফিল হোসেন নামের এক কর্মী বলেন, ‘২০০৪ সাল থেকে এ কাজ করছি। পরিবারকে গ্রামে রেখে ঢাকায় থাকা সম্ভব নয়। যা বেতন পাই, তাতে সংসার চলে না।’

শ্রম বিধিমালা অনুসারে, বেসরকারি নিরাপত্তা খাতে নির্ধারিত নিম্নতম মজুরি বিভাগীয় শহর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ৯ হাজার ৮০০ টাকা এবং জেলা শহরে ৯ হাজার ১৪০ টাকা। তবে প্রথম আলোর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কথা বলা ৮০ জন কর্মীর মধ্যে অন্তত ৩০ জন এই মজুরির চেয়ে কম পান। শ্রম বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির হিসাবে নির্ধারিত মজুরি অত্যন্ত কম। তৈরি পোশাক খাতের নিম্নতম মজুরি যেখানে ১২ হাজার ৫০০ টাকা, সেখানে নিরাপত্তা কর্মীদের মজুরি অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

"বড় বড় কয়েকটি নিরাপত্তা কোম্পানি হয়তো কিছু ক্ষেত্রে মানদণ্ড মেনে চলে। কিন্তু অধিকাংশই নজরদারির বাইরে। নিরাপত্তাকর্মীদের সমস্যাগুলো নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা হয় না।"

বিপিএসএসপিএ জানিয়েছে, বিদ্যমান মজুরি পর্যালোচনার জন্য তারা ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ সর্বনিম্ন মজুরি বোর্ড পুনর্গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্যদিকে, আইন অনুসারে বেসরকারি নিরাপত্তা কোম্পানিগুলোকে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের কাছ থেকে আলাদা নিবন্ধন নিতে হয়। তবে এই নিবন্ধন নেওয়ার নজির প্রায় নেই বললেই চলে। রয়েছে তদারকির অভাবও। কোম্পানিগুলো প্রক্রিয়াগত জটিলতার কথা বলছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অহিদুল ইসলাম, ইসরাফিল হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৮ বছর, ১৬ বছর, ৯ হাজার ৩৩৩ টাকা, ১৬ হাজার শাখা, ১০ হাজার এটিএম বুথ, ৫ লাখ কর্মী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖