📌 নেপালে বিধ্বংসী বন্যার কারণ হিসেবে ভূমিকম্প নয়, বরং হিমবাহ ধস ও ভূমিধসকে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা। এতে মৃত্যু হয়েছে ১৬০ জনের, নিখোঁজ রয়েছেন ৮৪৪ জন।
নেপালে বিধ্বংসী আকস্মিক বন্যার পূর্বে যে কম্পন অনুভূত হয়েছিল, তা ভূমিকম্প নয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে ভূমিকম্প হিসেবে শনাক্ত হওয়া কম্পনটি পরবর্তীতে হিমবাহ ধস ও পাথর-মাটির স্রোত (ডেব্রিস ফ্লো) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর ফলে ভাটির দিকে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। প্রাথমিকভাবে কাঠমান্ডুর উত্তরে নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে কম্পনটি শনাক্ত হলেও পরে ইউএসজিএস স্পষ্ট করে জানায়, সেখানে কোনো ভূমিকম্পই হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভূমিকম্প নয়, হিমবাহ ধসের কারণে নেপালে বিধ্বংসী বন্যা দেখা দেয়
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বিষয়টি নিশ্চিত করেছে
- 📌 নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে লহেন্দে নদীতে বিশাল ভূমিধস ঘটে
- 📌 ভূমিধসের তীব্রতা পরে ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পের সমতুল্য হিসেবে রেকর্ড হয়
- 📌 এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৬০ জনের, নিখোঁজ রয়েছেন ৮৪৪ জন
- 📌 নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছে ১৩৩ ভারতীয়সহ ২৮ দেশের নাগরিক
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, নেপালে বিধ্বংসী বন্যার পূর্বে অনুভূত কম্পনটি ভূমিকম্প নয়। বরং হিমবাহ ধস ও ভূমিধসের কারণে ওই কম্পনের সৃষ্টি হয়েছিল। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে ভূমিকম্প হিসেবে শনাক্ত হওয়া কম্পনটি পরে হিমবাহ ধস ও পাথর-মাটির স্রোত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর ফলে ভাটির দিকে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। প্রাথমিকভাবে কাঠমান্ডুর উত্তরে নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে কম্পনটি শনাক্ত হলেও পরে ইউএসজিএস স্পষ্ট করে জানায়, সেখানে কোনো ভূমিকম্পই হয়নি।
স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নেপাল-চীন রাসুওয়াগাড়ি সীমান্ত চৌকি থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে লহেন্দে নদীতে বরফ ও পাথরের বিশাল ভূমিধস ঘটে। এতে নদীতে বিপুল পরিমাণ পাথর, কাদা ও পানি নেমে গিয়ে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। ভূমিধসের তীব্রতা পরে ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পের সমতুল্য হিসেবে রেকর্ড করা হয়।
ভয়াবহ এ বন্যায় এখন পর্যন্ত ১৬০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জারি রয়েছে জরুরি অবস্থা। নিখোঁজদের উদ্ধারে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নিতে অভিযান চলছে। সাড়ে চারশ'র বেশি বিদেশি নাগরিকসহ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন কমপক্ষে ৮৪৪ জন। এদের মধ্যে রয়েছেন ১৩৩ ভারতীয়সহ যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, মালয়েশিয়াসহ কমপক্ষে ২৮ দেশের নাগরিক।
"ভূমিকম্প নয়, বরং হিমবাহ ধস ও ভূমিধসের কারণে নেপালে বিধ্বংসী বন্যা দেখা দিয়েছে। স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে লহেন্দে নদী এলাকা
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ১৬০ জন, নিখোঁজ ৮৪৪ জন, ভূমিধসের দূরত্ব ২০ কিলোমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!