📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কৃষি ও পল্লী উন্নয়নে সরকারের মহাপরিকল্পনা: চলতি অর্থবছরে ঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা ৬০ হাজার কোটি টাকা

কৃষি ও পল্লী উন্নয়নে সরকারের মহাপরিকল্পনা: চলতি অর্থবছরে ঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা ৬০ হাজার কোটি টাকা

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চলতি অর্থবছরে কৃষি ও পল্লী ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ৫৪ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিমালায় ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের কমপক্ষে ৪ শতাংশ কৃষিখাতে বিতরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে

চলতি অর্থবছরে কৃষি ও পল্লী উন্নয়নের জন্য সরকার ৬০ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ৫৪ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের কমপক্ষে ৪ শতাংশ কৃষিখাতে বিতরণ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চলতি অর্থবছরে কৃষি ও পল্লী ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা
  • 📌 পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে ৫৪ শতাংশ
  • 📌 ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের কমপক্ষে ৪ শতাংশ কৃষিখাতে বিতরণ করতে হবে
  • 📌 রাষ্ট্রায়ত্ত ও বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে সাড়ে ২০ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হবে
  • 📌 বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে সাড়ে ২১ হাজার কোটি টাকার বেশি বিতরণ করা হবে
  • 📌 মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে একজন কৃষক সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনা জামানতে ঋণ পাবেন

📰 বিস্তারিত

সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ঘোষণা করা হয়। বৈঠকে ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, গ্রামীণ ও কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করার উদ্যোগ হিসেবে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে গ্রামাঞ্চলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। রাষ্ট্রায়ত্ত ও বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে সাড়ে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে সাড়ে ২১ হাজার কোটি টাকার বেশি বিতরণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিনা জামানতে একজন কৃষক সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। তিনি জানান, নীতিমালায় নারী ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ঋণ বিতরণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

"গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করার জন্য এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃত কৃষক শনাক্তে ‘কৃষক কার্ড’ ও কর্মকর্তাদের প্রত্যয়ন চালুর পাশাপাশি বাধ্যতামূলক পাশ বইয়ের নিয়ম বাতিল করা হয়েছে। একই সাথে চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদে ঋণ পাওয়া আরও সহজ করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ হাজার কোটি টাকা, ৫৪ শতাংশ, ৪ শতাংশ, ২০ হাজার কোটি টাকা, ২১ হাজার কোটি টাকা, ৫ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖