📌 বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি সংকটে দেশে দিনে তিন হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। গ্যাস ও কয়লার স্বল্পতায় উৎপাদন কমে যাওয়ায় গ্রামাঞ্চলের মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছে তিন হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট পর্যন্ত।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি সংকটে দেশে দিনে তিন হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। গ্যাস ও কয়লার স্বল্পতায় উৎপাদন কমে যাওয়ায় গ্রামাঞ্চলের মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিন ধরে প্রতিদিন সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের পরিমাণ তিন হাজারের বেশি মেগাওয়াট। গত সোমবার রাত আটটায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছিল তিন হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট। এর আগের দিন ছিল তিন হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি সংকটে দিনে তিন হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হচ্ছে
- 📌 গ্যাস ও কয়লার স্বল্পতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় গ্রামাঞ্চলে ভোগান্তি বেড়েছে
- 📌 গত সোমবার সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছিল তিন হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট
- 📌 বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর পাওনা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা
- 📌 দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ হয়েছে সাড়ে ১২ হাজার মেগাওয়াট
- 📌 গ্যাস থেকে উৎপাদন হচ্ছে চার হাজার মেগাওয়াটের কম
📰 বিস্তারিত
বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি সংকটে দেশে দিনে তিন হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। গ্যাস ও কয়লার স্বল্পতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় গ্রামাঞ্চলের মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিন ধরে প্রতিদিন সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের পরিমাণ তিন হাজারের বেশি মেগাওয়াট। গত সোমবার রাত আটটায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছিল তিন হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট। এর আগের দিন ছিল তিন হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট।
বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, গত আওয়ামী লীগ সরকার দেড় দশকে পাইকারি পর্যায়ে ১২ বার ও খুচরা পর্যায়ে ১৪ বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। তবে জ্বালানি নিশ্চিত না করেই একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে এসব কেন্দ্র বসে থাকলেও ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে। বিপুল বকেয়ার দায় রেখে গেছে। এখনো পিডিবির কাছে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর পাওনা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট। তবে গতকাল সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের সময় চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ২৬২ মেগাওয়াট। সরবরাহ হয়েছে সাড়ে ১২ হাজার মেগাওয়াট। ওই সময় অর্ধেকের বেশি সক্ষমতা বসিয়ে রাখতে হয়েছিল। দিনের অধিকাংশ সময় এমনটাই করতে হচ্ছে। গ্যাস থেকে উৎপাদন হচ্ছে চার হাজার মেগাওয়াটের কম। গ্যাসের সরবরাহ বাড়তে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
"বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি সংকটে দিনে তিন হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। গ্যাস ও কয়লার স্বল্পতায় উৎপাদন কমে যাওয়ায় গ্রামাঞ্চলের মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট, ৫০ হাজার কোটি টাকা, ২৯ হাজার মেগাওয়াট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!