📌 পিকেএসএফ আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, সরকার জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর দিচ্ছে। ইতোমধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে দুই শতাধিক মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরির মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মসূচি নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে যাচ্ছে সরকার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে পিকেএসএফ
- 📌 জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর সরকারের
- 📌 গত ছয় মাসে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে দুই শতাধিক মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ
- 📌 আগামী পাঁচ বছরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন পাঁচ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা
- 📌 গ্রাহকদের বিদ্যুৎ উৎপাদক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগে নেট মিটারিং ব্যবস্থার জটিলতা দূরীকরণ
📰 বিস্তারিত
দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে অগ্রসর হচ্ছে সরকার। গত ছয় মাসে জাতীয় গ্রিডে দুই শতাধিক মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে তা পাঁচ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
উপদেষ্টা আরও জানান, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌরবিদ্যুৎ ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে। এতে জ্বালানিনিরাপত্তা বাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয়ও কমবে। দুই গিগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও অর্থায়নের খসড়া পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়েছে। সৌরবিদ্যুতের জন্য বাজেটে রাখা দুই হাজার কোটি টাকা কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।
গ্রাহকদের বিদ্যুৎ উৎপাদক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগে নেট মিটারিং ব্যবস্থার জটিলতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইডকল ও বিআইএফএফএলের মতো প্রতিষ্ঠানকে অর্থায়নে যুক্ত করা হবে। কোনো গ্রাহক বা উৎপাদক মোট ব্যয়ের ২০ শতাংশ দেবেন, আরেকটি প্রতিষ্ঠান বা অ্যাগ্রিগেটর দেবেন আরও ২০ শতাংশ। বাকি ৬০ শতাংশ সরকারি ঋণের মাধ্যমে দেওয়া হবে। এতে ঋণের সুদের হার ৬ থেকে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে জানান উপদেষ্টা।
"বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংকট আড়াল না করে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দিকে এগোচ্ছে সরকার। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌরবিদ্যুৎ ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর আগারগাঁও, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বছর, ১ কোটি, ১৭ বছর, ৬ মাস, ২০০ মেগাওয়াট, ৫ হাজার মেগাওয়াট, ২২টি প্রতিষ্ঠান, ১৮০ দিন, ২০ শতাংশ, ৬০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!