📌 মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। ব্যাংকটির এমডি মতিউল হাসান, সিএফও তাপস চন্দ্র পালসহ পরিচালকদের বিরুদ্ধে ১৮৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে এসব অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যাংকটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে
ঢাকায় অবস্থিত মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসিতে ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মতিউল হাসান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) তাপস চন্দ্র পালসহ ডজনখানেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পরিচালকদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে আর্থিক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্যাংকটির এমডি মতিউল হাসান ও সিএফও তাপস চন্দ্র পালসহ পরিচালকদের বিরুদ্ধে ১৮৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
- 📌 প্রোভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, সিএসআর তহবিল ও ল্যাপটপ-সফটওয়্যার কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ
- 📌 ২০২১ সাল থেকে পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল আওয়ালের বিরুদ্ধে ১১০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
- 📌 এমডি মতিউল হাসান ভুয়া বিলের মাধ্যমে প্রতি সভায় এক লাখ টাকা করে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ করেছেন
- 📌 ব্যাংকের কর্মচারীদের প্রাপ্য সুবিধা থেকে বছরের পর বছর বঞ্চিত করার অভিযোগ
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের কেন্দ্রীয় পরিদর্শন দলের তদন্তে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতির ঘটনা সামনে এসেছে। ব্যাংকটির এমডি মতিউল হাসান, সিএফও তাপস চন্দ্র পালসহ পরিচালকদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে আর্থিক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন দলের প্রতিবেদনে এসব অনিয়মের বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল ব্যাংকের বিভিন্ন ক্রয় কার্যক্রম ও সিএসআরের আওতায় কম্বল কেনার নামে ১১০ কোটি টাকা এবং ব্যবসা উন্নয়ন খাতের আওতায় ডায়েরি ও ক্যালেন্ডার কেনার নামে ৭৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের আওতায় প্রায় ১১০ কোটি টাকার কম্বল ক্রয় দেখিয়ে কমপক্ষে ৮৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এমডি মতিউল হাসান ভুয়া বিলের মাধ্যমে প্রতি বোর্ড ও নির্বাহী কমিটির সভায় নির্ধারিত ফি আট হাজার টাকার স্থলে এক লাখ টাকা করে গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তিনি স্বচ্ছ টেন্ডার ছাড়াই তিন কোটি ৫০ লাখ টাকার কার্যাদেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
"ব্যাংকটির আর্থিক অবস্থান ঝুঁকির মুখে পড়েছে। কর্মচারীদের গ্র্যাচুইটি, প্রোভিডেন্ট ফান্ড ও কল্যাণ তহবিলের জন্য বাধ্যতামূলক সংরক্ষণ না রাখায় বহু অবসরপ্রাপ্ত ও পদত্যাগী কর্মচারী তাদের প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মতিউল হাসান (এমডি), তাপস চন্দ্র পাল (সিএফও), মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল (পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮৭ কোটি টাকা, ১১০ কোটি টাকা, ৭৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, ৮৮ কোটি টাকা, ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!