📌 গুম প্রতিরোধে সরকারের নতুন আইনে ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মানবাধিকার কর্মীরা। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের ধারা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীতে আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা সরকারের প্রতি কঠোর অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানান
গুম প্রতিরোধ ও বন্ধে সরকার প্রস্তাবিত নতুন আইনে ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মানবাধিকার কর্মী, আইনজীবী ও গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের মতে, প্রস্তাবিত গুম প্রতিরোধ আইন ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের কয়েকটি ধারা সংস্কার না হলে গুম আবার ফিরে আসতে পারে। রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গুম প্রতিরোধ আইনের প্রস্তাবিত ধারায় ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ রয়েছে বলে অভিযোগ মানবাধিকার কর্মীদের
- 📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের ১৪ ও ১৯ ধারায় স্বাধীন তদন্তের সুযোগ না থাকার অভিযোগ
- 📌 গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা সরকারের কাছে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের দাবি জানান
- 📌 গুমবিষয়ক তদন্ত কমিশনের সাবেক সদস্য ড. নাবিলা ইদ্রিস আইনের ‘ফাঁকফোকর’ তুলে ধরেন
- 📌 আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা গুমের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় মানবাধিকার কর্মী, আইনজীবী ও গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা সরকারের প্রস্তাবিত গুম প্রতিরোধ আইনের দুর্বলতা তুলে ধরেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রস্তাবিত আইনে স্বাধীন তদন্তের সুযোগ না থাকায় গুমের ঘটনা আবারও ঘটতে পারে।
গুমবিষয়ক তদন্ত কমিশনের সাবেক সদস্য ড. নাবিলা ইদ্রিস বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের ১৪ ও ১৯ ধারায় বড় ধরনের ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে স্বাধীন তদন্তের সুযোগ না থাকায় বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
এইচআরএসএসের উপদেষ্টা মো. নূর খান বলেন, সরকার গুম না করার প্রতিশ্রুতি দিলেও আইনে এমন ‘খোলা পথ’ রাখা স্বাধীন বিচারব্যবস্থার জন্য হুমকি। তিনি আরও বলেন, প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষ গুমের শিকার হলে বিচার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা গুমের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান। গুমের শিকার ইদ্রিস আলী পান্নার ছেলে মামুনুর রশিদ বলেন, ‘আমরা এখনো অনিরাপদ।’ তিনি আরও জানান, মামলা করেও অগ্রগতি না হওয়া এবং এলাকায় যেতে না পারার কথা।
"জনপ্রতিনিধিদের কাজ নিরাপত্তা বাহিনীকে তুষ্ট করা নয়, জনগণের স্বার্থরক্ষা করা। প্রস্তাবিত আইন পাস হলে উচ্চবিত্ত বা সমাজে পরিচিত কেউ গুমের শিকার হলে গণমাধ্যম ও জনমতের চাপে কিছুটা সুরাহা মিলতে পারে। কিন্তু প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষ ভুক্তভোগী হলে, তা নানা কারণে কঠিন হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. নাবিলা ইদ্রিস, মো. নূর খান, মামুনুর রশিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ ও ১৯ ধারা, ৪৫ দিন, ১২ দফা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!