📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রাম সিইপিজেডে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে উৎপাদন বন্ধ, প্যাসিফিক জিনসের ৫ হাজার+ শ্রমিকের চাকরি অবসান শুরু

চট্টগ্রাম সিইপিজেডে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে উৎপাদন বন্ধ, প্যাসিফিক জিনসের ৫ হাজার+ শ্রমিকের চাকরি অবসান শুরু

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম সিইপিজেডে প্যাসিফিক জিনসের একটি পুরোনো কারখানা ভবন ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত হওয়ায় উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। ৫ হাজার শ্রমিকের চাকরি অবসান শুরু হয়েছে এবং নতুন কারখানা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (সিইপিজেড) প্যাসিফিক জিনসের একটি পুরোনো উৎপাদন ইউনিটে কাঠামোগত ঝুঁকির কারণে উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ভবনটিকে ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং নতুন কারখানা নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। প্যাসিফিক জিনসের ৩৫ হাজার কর্মচারী কর্মরত থাকলেও এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র এই ইউনিটের জন্য প্রযোজ্য।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রাম সিইপিজেডে প্যাসিফিক জিনসের একটি ১৯৯৪ সালের পুরোনো কারখানা ভবন ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত; উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে
  • 📌 ৫ হাজার শ্রমিকের চাকরি অবসান শুরু হয়েছে; ৩১ অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে চাকরি শেষ করা হচ্ছে
  • 📌 আরএমজি সাসটেইনেবিলিটি কাউন্সিলের (আরএসসি) মূল্যায়নে ভবনটিতে কাঠামোগত বিপর্যয়ের সম্ভাবনা দেখা গেছে
  • 📌 পুরোনো ভবন ভেঙে নতুন পরিবেশবান্ধব, বহুতল কারখানা নির্মাণের পরিকল্পনা; বর্তমান শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
  • 📌 শ্রমিকদের আইনানুগ ক্ষতিপূরণসহ সব পাওনা পরিশোধ করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে বেতন, ছুটির টাকা, মুনাফা ও প্রভিডেন্ট ফান্ড

📰 বিস্তারিত

প্যাসিফিক জিনস লিমিটেডের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আরএমজি সাসটেইনেবিলিটি কাউন্সিলের (আরএসসি) বিশেষ নিরীক্ষা ও প্রকৌশলী মূল্যায়নে ভবনটিতে কাঠামোগত বিপর্যয়ের ঝুঁকি চিহ্নিত হয়েছে। এই কারণে শ্রমিকদের জীবন ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বন্ধ হওয়া কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের চাকরি অবসানের প্রক্রিয়া ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে।

প্যাসিফিক জিনসের একজন কর্মকর্তা (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) বলেছেন, ১৯৯৪ সালে নির্মিত এই ভবনে সাড়ে পাঁচ হাজার শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। নতুন কারখানা নির্মাণের পর প্রায় ১০ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ অনুযায়ী শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণসহ সব আইনানুগ পাওনা পরিশোধ করছে। এতে বেতন, অতিরিক্ত কাজের মজুরি, ছুটির টাকা, নোটিশ পে, সার্ভিস বেনিফিট এবং প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রত্যেক শ্রমিকের চাকরি অবসানের তারিখেই তাঁর ব্যাংক হিসাবে চূড়ান্ত পাওনা দেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পুরোনো ভবন ভাঙা এবং নতুন কারখানা নির্মাণের কাজ আরএসসির নির্দেশনা ও কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে। নতুন কারখানায় বর্তমান শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, তবে নির্মাণের সময়সূচী বা উৎপাদন শুরু করার তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।

"আরএসসি বিশেষ কাঠামোগত নিরাপত্তা নিরীক্ষা এবং প্রকৌশলী মূল্যায়নে ভবনটিতে সম্ভাব্য কাঠামোগত বিপর্যয়ের ঝুঁকি চিহ্নিত হয়েছে। তাই শ্রমিকদের জীবন ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (সিইপিজেড)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্যাসিফিক জিনসের কর্মকর্তা (নাম প্রকাশ না করা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ হাজার+ শ্রমিকের চাকরি অবসান, ১০ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান সুযোগ, ৩৫ হাজার কর্মচারী, ৪০ কোটি ডলার রপ্তানি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖