📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রাক্তন আইনজীবী আলিনা হাব্বা মিলডনকে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, মিলডন একটি $৫০ মিলিয়ন চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন, যা ট্রাম্পের পক্ষ থেকে পardon পেয়েছেন এমন একজন ভেনেজুয়েলা ব্যাঙ্কারের পরিবারের সাথে। এই চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের মধ্যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রাক্তন আইনজীবী আলিনা হাব্বা মিলডনের $৫০ মিলিয়ন মূল্যের চুক্তি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন ভেনেজুয়েলার একজন ব্যাঙ্কারের পরিবারের সাথে, যিনি পরবর্তীতে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ক্ষমা পেয়েছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিলডন এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন যখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল প্রসিকিউটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে তিনি সেই ব্যাঙ্কারের পরিবারের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্টে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ শুরু করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, $৫০ মিলিয়ন চুক্তি "অবাক্য এবং অগ্রহণযোগ্য" — তিনি মনে করেন এটি "অবশ্যই স্বীকারযোগ্য নয়"।
- 📌 আলিনা হাব্বা মিলডন ২০২৫ সালের অক্টোবরে ভেনেজুয়েলা ব্যাঙ্কার জুলিও হেরেরা ভেলুতিনি’র পরিবারের একটি কোম্পানি ‘কনকর্ড পার্টনার্স’-এর সাথে চার বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যা $৫০ মিলিয়ন মূল্যের।
- 📌 হেরেরা ভেলুতিনি’র বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ব Bribery মামলা ছিল, কিন্তু তিনি আগস্ট ২০২৫ সালে প্রসিকিউটরদের সাথে পlea deal করে মামলা থেকে বের হন।
- 📌 মিলডন চুক্তি স্বাক্ষর করার সময় নিউ জার্সির ফেডারেল অ্যাটর্নি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, যা ট্রাম্পের নিয়োগ। পরে তিনি জাস্টিস ডিপার্টমেন্টে অ্যাটর্নি জেনারেলের উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দেন।
- 📌 ১ জানুয়ারি থেকে মিলডন কনকর্ড পার্টনার্সের সাথে চুক্তি অনুযায়ী কাজ শুরু করেন, কিন্তু ১৫ জানুয়ারি ট্রাম্প হেরেরা ভেলুতিনি’র পক্ষ থেকে পূর্ণ ক্ষমা ঘোষণা করেন।
- 📌 ট্রাম্পের মতে, মিলডনকে এই চুক্তি থেকে অর্থ দেওয়া উচিত নয়। তিনি বলেছেন, এই অবস্থা "অত্যন্ত খারাপ"।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রাক্তন আইনজীবী আলিনা হাব্বা মিলডনের সাথে স্বাক্ষরিত $৫০ মিলিয়ন চুক্তি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। মিলডন এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন ভেনেজুয়েলার একজন ব্যাঙ্কার জুলিও হেরেরা ভেলুতিনি’র পরিবারের সাথে। হেরেরা ভেলুতিনি’র বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ব Bribery মামলা ছিল, কিন্তু তিনি আগস্ট ২০২৫ সালে প্রসিকিউটরদের সাথে পlea deal করে মামলা থেকে বের হন। পরে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ১৫ জানুয়ারি তিনি পূর্ণ ক্ষমা পান।
মিলডন এই চুক্তি স্বাক্ষর করার সময় নিউ জার্সির ফেডারেল অ্যাটর্নি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ট্রাম্পের নিয়োগে তিনি এই পদে ছিলেন। পরে তিনি জাস্টিস ডিপার্টমেন্টে অ্যাটর্নি জেনারেলের উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দেন। ১ জানুয়ারি থেকে তিনি কনকর্ড পার্টনার্সের সাথে চুক্তি অনুযায়ী কাজ শুরু করেন। এই কোম্পানির কোনো পাবলিক প্রোফাইল নেই এবং তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য অজানা।
মিলডন দাবি করেছেন যে তিনি কোনো ক্ষমা পেতে সাহায্য করেননি। তিনি বলেছেন, তিনি কখনোই কোনো ক্ষমা পেতে আলোচনা করেননি, কখনোই হোয়াইট হাউজ বা জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের সাথে আলোচনা করেননি। তবে ট্রাম্পের মতে, এই চুক্তি "অবাক্য এবং অগ্রহণযোগ্য"। তিনি বলেছেন, "আমি মনে করি এটি সম্পূর্ণ অবাক্য এবং অগ্রহণযোগ্য, এবং এটি স্বীকারযোগ্য নয়।" তিনি আরও বলেছেন, "এটি সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য।"
মিলডনকে এই চুক্তি থেকে অর্থ দেওয়া উচিত নয়, এমনটাই ট্রাম্পের মন্তব্য। তিনি বলেছেন, এই অবস্থা "অত্যন্ত খারাপ"। ট্রাম্পের মতে, মিলডনকে এই চুক্তি থেকে অর্থ দেওয়া উচিত নয় এবং তিনি এই অর্থের কিছু অংশ ট্রাম্পের ভবিষ্যত প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরির জন্য দান করতে বলেছেন।
"আমি মনে করি এটি সম্পূর্ণ অবাক্য এবং অগ্রহণযোগ্য, এবং এটি স্বীকারযোগ্য নয়।"
"এটি সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, আলিনা হাব্বা মিলডন, জুলিও হেরেরা ভেলুতিনি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: $৫০ মিলিয়ন, ৪ বছর, ১৫ জানুয়ারি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!