📌 দিনাজপুরের পার্বতীপুরের মধ্যপাড়া শিলাখনিতে জার্মানিয়া-ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) গত অক্টোবর মাসে ১ লাখ ৫০ হাজার টন পাথর উত্তোলন করে নতুন রেকর্ড গড়েছে। দৈনিক গড় উৎপাদন ৬ হাজার টন পৌঁছেছে
দিনাজপুরের পার্বতীপুরের মধ্যপাড়া শিলাখনিতে পাথর উত্তোলনে নতুন রেকর্ড গড়েছে জার্মানিয়া-ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)। গত অক্টোবর মাসে এই খনিতে ১ লাখ ৫০ হাজার টন পাথর উত্তোলন করা হয়েছে, যা আগের সব মাসিক রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। দৈনিক গড় উৎপাদন প্রায় ৬ হাজার টন পৌঁছেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১ লাখ ৫০ হাজার টন পাথর** উত্তোলন করে মধ্যপাড়া শিলাখনি নতুন রেকর্ড গড়েছে গত অক্টোবর মাসে।
- 📌 **দৈনিক গড় উৎপাদন** প্রায় ৬ হাজার টন পৌঁছেছে, যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
- 📌 **১৯৭৩-৭৪ সালে আবিষ্কৃত** এই খনির বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয় ২০০৭ সালের ২৫ মে।
- 📌 **১৫ লাখ ৩০ হাজার টন পাথর** বর্তমানে খনির ইয়ার্ডে মজুত রয়েছে।
- 📌 **জিটিসির বিদেশি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে** আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন পরিচালিত হচ্ছে।
- 📌 **১৯৯৪ সালের ২০ অক্টোবর** তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া খনির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- 📌 **পাথর উৎপাদনের দাম** কমিয়ে আনা হয়েছে আমদানি করা পাথরের সঙ্গে সমন্বয় করে।
📰 বিস্তারিত
মধ্যপাড়া শিলাখনি বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ উৎপাদনশীল পাথরের খনি। জিটিসির সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় চুক্তির পর থেকেই পাথর উত্তোলনে ধারাবাহিক অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। খনিসংশ্লিষ্টরা জানান, বিদেশি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। উৎপাদনের এ ধারাবাহিকতা দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে স্থানীয় পাথরের সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি আমদানিনির্ভরতা কমাতে ভূমিকা রাখবে।
১৯৭৩-৭৪ সালে এই খনি আবিষ্কৃত হয়। ১৯৯৪ সালের ২০ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া খনির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। বাণিজ্যিকভাবে পাথর উত্তোলন শুরু হয় ২০০৭ সালের ২৫ মে। শুরুতে দৈনিক মাত্র ৪০০ থেকে ৫০০ টন পাথর উত্তোলন করা হতো, কিন্তু বর্তমানে জিটিসির ব্যবস্থাপনায় উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ডি এম জোবায়েদ হোসেন বলেন, “আমদানি করা পাথরের সঙ্গে সমন্বয় করে খনির উৎপাদিত পাথরের দাম কমানো হয়েছে। জিটিসির পাথর উৎপাদনে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে খনিতে পাথর বিক্রিও বেড়েছে।”
খনি সূত্র জানায়, পাথর উত্তোলনে ধারাবাহিক রেকর্ডের ফলে সরকারের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হচ্ছে। বর্তমানে খনির বেশ কয়েকটি ইয়ার্ডে প্রায় ১৫ লাখ ৩০ হাজার টন পাথর মজুত রয়েছে। খনির উন্নয়ন ও উৎপাদনের এ ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার এবং সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা পেলে মধ্যপাড়া শিলাখনি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
"আমদানি করা পাথরের সঙ্গে সমন্বয় করে খনির উৎপাদিত পাথরের দাম কমানো হয়েছে। জিটিসির পাথর উৎপাদনে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে খনিতে পাথর বিক্রিও বেড়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মধ্যপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রকৌশলী ডি এম জোবায়েদ হোসেন, বেগম খালেদা জিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ৫০ হাজার টন (পাথর উত্তোলন), ৬ হাজার টন (দৈনিক গড় উৎপাদন), ১৫ লাখ ৩০ হাজার টন (মজুত পাথর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!